দিশা সালিয়ান মামলায় নতুন মোড়, সুরজ পাঞ্চোলির নামের পর জিয়া খানের মা রাবিয়ার বিস্ফোরক দাবি

প্রয়াত অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের প্রাক্তন ম্যানেজার দিশা সালিয়ানের মৃত্যুর ঘটনা ফের আলোচনার কেন্দ্রে। প্রায় ছয় বছর পর এই মামলায় এফআইআর দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। সেই এফআইআরে অভিনেতা সুরজ পাঞ্চোলির নাম থাকায় নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, এর আগে অভিনেত্রী জিয়া খানের মৃত্যুর মামলাতেও সুরজের নাম জড়িয়েছিল। যদিও পরবর্তীতে বিশেষ সিবিআই আদালত তাকে খালাস দেয়।

দিশা সালিয়ান মামলায় সুরজ পাঞ্চোলির নাম প্রকাশ্যে আসার পরই জিয়া খানের মা রাবিয়া খান সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি দীর্ঘ নোট শেয়ার করেছেন। সেখানে তিনি নিজের মেয়ের মামলার প্রসঙ্গ টেনে দিশার মৃত্যুর তদন্ত নিয়েও একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন। রাবিয়া লেখেন, ছয় বছর আগের দিশা সালিয়ান মামলায় জিয়া খানের মামলার মতো একই নাম উঠে আসার খবর শুনে তিনি গভীরভাবে মর্মাহত। তাঁর দাবি, এই বিষয়টি শুধু তাঁর একার জন্য নয়, সবার জন্যই উদ্বেগের।

জিয়া খানের মামলার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে রাবিয়া আরও দাবি করেন, গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ নষ্ট হয়ে গেলে তদন্তের উপর তার গভীর প্রভাব পড়তে পারে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, একবার গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হয়ে গেলে প্রকৃত সত্যে পৌঁছনো আরও কঠিন হয়ে যায়।

নিজের পোস্টে তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন রাবিয়া খান। তাঁর দাবি, দিশা সালিয়ান মামলার তদন্তে ত্রুটির কথা হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণেও উঠে এসেছে। একইসঙ্গে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ না থাকলে নতুন করে তদন্ত করেও প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা কঠিন হতে পারে।

রাবিয়ার আরও অভিযোগ, জিয়া খানের মামলার মতোই দিশার ক্ষেত্রেও ‘প্ররোচনা’র দিকটি যথাযথভাবে তদন্ত করা হয়নি। তিনি তদন্তকারী সংস্থাগুলির কাছে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংরক্ষণের আবেদন জানিয়েছেন।

রাবিয়ার বক্তব্য, তাঁর মেয়ে জিয়া যেমন মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানার অধিকার রাখে, তেমনই দিশা সালিয়ানের পরিবারও সত্য জানার অধিকার রাখে। ২০২০ সালের ৮ জুন মুম্বইয়ে দিশা সালিয়ানকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছিল সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর কয়েক দিন আগে। দিশার মৃত্যুর পর ঘটনাটি প্রাথমিকভাবে আকস্মিক মৃত্যু হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছিল। এবার প্রায় ছয় বছর পর মামলায় এফআইআর দায়ের করেছে সিবিআই। ওই এফআইআরে আদিত্য ঠাকরে, রিয়া চক্রবর্তী, সুরজ পাঞ্চোলি, দিনো মোরিয়া, রোহান রায়-সহ আরও কয়েকজনের নাম রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় নাম থাকা ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য দিক খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা।

তবে এফআইআরে কারও নাম থাকা নিজেই অপরাধ প্রমাণ করে না। তদন্তের পরই অভিযোগগুলির সত্যতা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক