বিগ বস বাংলার ঘরে দিন যত এগোচ্ছে, ততই বাড়ছে উত্তেজনা। ঝগড়া, তর্ক-বিতর্কের পাশাপাশি প্রতিযোগীদের খুনসুটিও নজর কাড়ছে দর্শকদের। এরই মধ্যে চলতি সপ্তাহের লাক্সারি বাজেট টাস্কে নতুন চমক যোগ হয়েছে। টাস্কে বাড়ির সদস্যদের দুই দলে ভাগ করা হয়েছে—এক দল মানুষ এবং অন্য দল রোবট। আর সেই খেলাতেই দেখা গেল মজার এক মুহূর্ত।
ভরতের ব্যাটারিতে তনুশ্রীর ‘ভালবাসার চার্জ’
টাস্কের নিয়ম অনুযায়ী, রোবট সদস্যদের চার্জ শেষ হয়ে গেলে মানুষ দলের সদস্যদের সাহায্যে তাঁদের ফের চার্জ নিতে হবে। খেলতে খেলতেই ভরতের চার্জ শেষ হয়ে যায়। এরপর তিনি তনুশ্রী রায় দাসের কাছে তাঁকে চার্জ দেওয়ার অনুরোধ করেন। তনুশ্রীও হাসিমুখে ভরতকে চার্জ দেন। চার্জ পাওয়ার পর মজার ছলে ভরত বলে ওঠেন, “ভালবাসার চার্জ দিয়ে ফুল করে দিল।” তাঁর এই মন্তব্যে বিগ বসের ঘরে হাসির রোল ওঠে। দর্শকদের কাছেও দুই প্রতিযোগীর এই খুনসুটি বেশ উপভোগ্য হয়ে ওঠে।
ভরত ও তনুশ্রীর মধ্যে বর্তমানে ভালো বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বোঝাপড়াও বেশ ভালো। তবে তাঁদের সম্পর্কের শুরুটা যে এমন ছিল না, সেটাও বিগ বসের ঘরের আগের ঘটনাগুলিতে দেখা গিয়েছে। এরই মধ্যে গত বুধবার ক্যাপ্টেন্সি টাস্কে জয়ী হয়ে বাড়ির নতুন ক্যাপ্টেন হয়েছেন তনুশ্রী। টাস্কে শুধু ভরত-তনুশ্রী নয়, অন্যান্য সদস্যদের মধ্যেও চলেছে চার্জ দেওয়ার পালা। জীতু কমলকে চার্জ দেন সোনামণি সাহা। অন্যদিকে রাজবীর দে এবং মনামী ঘোষকে চার্জ দেন নন্দিনী দত্ত।
জীতু আউট, রাতে শুরু তুমুল অশান্তি
তবে শেষ পর্যন্ত রোবট দলের মধ্যে সবচেয়ে আগে চার্জ হারিয়ে টাস্ক থেকে ছিটকে যান জীতু কমল। ফলে তাঁর জন্য টাস্কের সেই পর্বের লড়াই সেখানেই শেষ হয়ে যায়। দিনের মজার আবহ রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায়। সাময়িকভাবে টাস্ক বন্ধ হওয়ার পর রাজবীর দে এবং মনামী ঘোষ জানান, মানুষ দলের সদস্যদের মধ্যে শুধুমাত্র নন্দিনী রান্নাঘর এবং শোওয়ার ঘরে যেতে পারবেন। বাকি সদস্যদের সেখানে যাওয়ার অনুমতি থাকবে না।
এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি রোবট দলের অন্যান্য সদস্যরা। তাঁদের দাবি, বাড়ির প্রত্যেক সদস্যেরই সব জায়গায় যাওয়ার অধিকার থাকা উচিত। বিশেষ করে বাথরুম ও শোওয়ার ঘরে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও নিষেধাজ্ঞা থাকা উচিত নয় বলে তাঁরা জানান।
এই বিষয়টি নিয়েই শুরু হয় তুমুল তর্কাতর্কি। শেষ পর্যন্ত সেই বিতর্কে রাজবীর ও মনামীরা নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে পারেননি। আগামী পর্বেও লাক্সারি বাজেটের এই টাস্ক চলবে। ফলে নতুন করে কোন সদস্যের ব্যাটারি শেষ হয় এবং খেলার মোড় কোন দিকে ঘোরে, এখন সেদিকেই নজর দর্শকদের।

Hello friends, Myself Biplab. I have been writing horoscopes since 2019. Since 2022, I have also been writing about entertainment, lifestyle, and trending news.