Parineeti Chopra: সন্তানকে বাড়িতে রেখে বেরিয়ে টানা ৩ ঘণ্টা কেঁদেছিলেন পরিণীতি! কী হয়েছিল সেদিন? জানালেন পরিণীতি

মা হওয়ার পর জীবনে নানা পরিবর্তন আসে। বদলে যায় দৈনন্দিন জীবন, কাজের ধরন এবং ভাবনাচিন্তাও। মাতৃত্বের এমনই এক আবেগঘন অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করলেন অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়া (Parineeti Chopra)। সন্তান জন্মের পর বেশ কয়েক মাস দিন-রাত ছেলের সঙ্গেই কাটিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু প্রথম বার সন্তানকে বাড়িতে রেখে কাজে বেরোনোর দিন মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন অভিনেত্রী।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মাতৃত্ব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সেই দিনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন পরিণীতি। অভিনেত্রী জানান, ছেলেকে বাড়িতে রেখে প্রথম বার মুম্বই যাওয়ার সময় বিমানে বসেই টানা তিন ঘণ্টা কেঁদেছিলেন তিনি। এমনকি সেই যাত্রার কোনও ঘটনাই তাঁর স্পষ্ট ভাবে মনে নেই। পরিণীতির কথায়, বিমানবন্দরে কী ভাবে পৌঁছেছিলেন, কী ভাবে বিমানে উঠেছিলেন কিংবা মুম্বই পৌঁছেছিলেন—কিছুই মনে নেই। শুধু মনে রয়েছে, গোটা তিন ঘণ্টার বিমানযাত্রা জুড়ে তিনি কেঁদেছিলেন।

সন্তানকে রেখে কাজে বেরোনোর সময় অনেক মায়ের মধ্যেই যে অপরাধবোধ তৈরি হয়, পরিণীতির ক্ষেত্রেও তেমন অনুভূতি তৈরি হয়েছিল। তবে অভিনেত্রীর দাবি, তাঁর অনুভূতি শুধু ‘মম গিল্ট’-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। তাঁর মনে হয়েছিল, হয়তো আর কোনও দিন কাজ করতে পারবেন না।

তবে ছেলেকে নিয়ে বাস্তবে কোনও আশঙ্কার কারণ ছিল না। বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেই নিরাপদে ছিল সন্তান। পরিণীতি জানান, তাঁর অনুপস্থিতিতে ছেলের কোনও সমস্যা হয়নি এবং পরিবারের সকলে স্বাভাবিক ভাবেই সময় কাটাচ্ছিলেন। বরং পরিবারের সদস্যরাই তাঁকে আরও কিছু দিন বাইরে গিয়ে কাজ করার জন্য উৎসাহ দিতেন। তার পরেও নিজের মনকে বোঝানো কঠিন হয়ে উঠেছিল পরিণীতির। তাঁর মতে, মায়েদের মধ্যে তৈরি হওয়া এই অপরাধবোধ অত্যন্ত গভীর এবং অনেক সময় তা সামলানো কঠিন।

এই অনুভূতির পিছনে শুধু মাতৃত্বের স্বাভাবিক প্রবৃত্তিই নয়, সমাজের তৈরি করে দেওয়া কিছু ধারণাও দায়ী বলে মনে করেন অভিনেত্রী। তাঁর মতে, একজন মা কাজের প্রয়োজনে বাইরে বেরোলেই সন্তানকে নিয়ে নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়।পরিণীতি জানান, অনেক মহিলা তাঁর কাছে এসে সরাসরি জানতে চান, “আপনার বাচ্চা কোথায়?” তাঁর সহজ উত্তর, “বাড়িতে আছে।” অভিনেত্রীর মতে, এখনও সমাজের একটা অংশ মায়েদের স্বাভাবিক জীবনযাপন এবং কাজের প্রয়োজনকে সহজ ভাবে গ্রহণ করতে পারে না।

মাতৃত্ব এবং কর্মজীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার এই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে এনে পরিণীতি ফের মনে করিয়ে দিলেন—সন্তানকে ভালোবাসা এবং নিজের পেশাগত জীবন চালিয়ে যাওয়া, এই দু’টি বিষয় একে অপরের বিপরীত নয়।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক