চতুর্থ বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে রোম্যান্টিক পরিবেশে বিদেশে বিশেষ মুহূর্ত কাটানোর পর হঠাৎই হাসপাতালে দেখা গেল বলিউড অভিনেত্রী Alia Bhatt-কে। আর এতেই শুরু হয়েছে জোর জল্পনা—কাপুর পরিবারে কি তবে আসছে নতুন সুখবর?
১৪ এপ্রিল, নিজের বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে অস্ট্রিয়ার বরফঢাকা প্রাকৃতিক পরিবেশে স্বামী Ranbir Kapoor-এর সঙ্গে সময় কাটান আলিয়া। মোমবাতির আলোয় সাজানো অন্তরঙ্গ ডিনার, শান্ত পরিবেশ আর ভালোবাসায় ভরা মুহূর্ত—সবকিছুই তিনি শেয়ার করেছিলেন সামাজিক মাধ্যমে। সেই ছবি ও ভিডিও দ্রুতই ভাইরাল হয় এবং অনুরাগীদের প্রশংসায় ভরে ওঠে নেটদুনিয়া।
তবে আনন্দঘন এই উদযাপনের পরই মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে আলিয়াকে দেখা যাওয়ায় আচমকাই চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন তিনি। সাদা ঢিলেঢালা পোশাকে, স্বাভাবিক হাসিমুখে হাসপাতালের বাইরে বেরোতে দেখা যায় অভিনেত্রীকে। পাপারাজ্জিদের ক্যামেরায় ধরা পড়া সেই ভিডিও মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
এরপর থেকেই নেটিজেনদের একাংশের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। কেউ মনে করছেন, হয়তো নতুন করে মা হওয়ার সুখবর দিতে চলেছেন আলিয়া। আবার কেউ প্রশ্ন তুলেছেন—পরিবারে সব ঠিকঠাক আছে তো? যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেননি আলিয়া বা রণবীর কেউই।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ঠিক এই সময়েই Deepika Padukone-এর দ্বিতীয়বার মা হওয়ার খবর প্রকাশ্যে এসেছে। ফলে কাকতালীয়ভাবে এই দুই অভিনেত্রীকে ঘিরে তুলনা আবারও সামনে এসেছে। রণবীরের অতীত ও বর্তমান সম্পর্কের কারণে এই তুলনা নতুন নয়, তবে সময়ের মিল থাকায় তা আরও বেশি আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
কাজের দিক থেকেও আলিয়া ভাট বর্তমানে ব্যস্ত সময় পার করছেন। পরিচালক Sanjay Leela Bhansali-র আসন্ন ছবি Love and War-এ আবারও রণবীর কাপুরের সঙ্গে জুটি বাঁধতে চলেছেন তিনি। এই ছবিতে আরও রয়েছেন Vicky Kaushal। পাশাপাশি, আগামী ১০ জুলাই মুক্তি পেতে চলেছে তাঁর নতুন ছবি Alpha, যা নিয়েও দর্শকদের মধ্যে উৎসাহ তুঙ্গে।
অন্যদিকে, মা হওয়ার পর বড় পর্দায় ফিরেছেন দীপিকা পাডুকোনও। ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবন—দুই ক্ষেত্রেই তিনি এখন ব্যস্ত। গর্ভাবস্থাতেও শুটিং ও প্রচারে অংশ নেওয়ার নজির রেখে ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি।
সব মিলিয়ে, আলিয়া ভাটের হাসপাতাল-দর্শন ঘিরে এখনো রহস্য বজায় রয়েছে। এটি নিছক রুটিন চেক-আপ, নাকি সত্যিই কোনো সুখবরের ইঙ্গিত—তা জানার জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন ভক্তরা।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.