Vastu: বাড়ির চৌহদ্দিতে সংসার পেতেছে মেনি বিড়াল? বাস্তুমতে শুভ নাকি অশনি সংকেত

Vastu: বর্তমানে অনেক বাড়িতেই পোষ্য হিসেবে কুকুর-বিড়াল রাখার চল বেড়েছে। তবে সব সময় যে ইচ্ছা করে পোষ্য রাখা হয়, তা নয়। কখনও কখনও রাস্তার বিড়াল নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বাড়ির চৌহদ্দিতে ঢুকে পড়ে। বিশেষ করে সন্তান প্রসবের আগে নিরাপদ জায়গা খুঁজতে গিয়ে কোনও বিড়াল বাড়ির এক কোণে ঘাঁটি গেড়ে বসতে পারে। পরে সেখানেই ছানাদের নিয়ে সংসার পেতে ফেলে।
এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই চিন্তায় পড়ে যান—বাড়িতে বিড়ালের এভাবে সংসার পাতা কি শুভ, নাকি এর পিছনে রয়েছে কোনও অশনি সংকেত? প্রচলিত বাস্তুশাস্ত্রের বিশ্বাস অনুযায়ী, বিড়ালের বাড়িতে আসা নিয়ে রয়েছে নানা মত।

বাড়িতে বিড়াল ছানা দিলে কী হয়?

বাস্তুশাস্ত্রের প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, বাড়ির চৌহদ্দিতে বিড়াল সন্তান প্রসব করলে সেটিকে শুভ লক্ষণ হিসেবে দেখা হয়। বিড়াল সাধারণত সন্তান প্রসবের আগে নিরাপদ ও নিরিবিলি জায়গা বেছে নেয়। তাই কোনও বিড়াল আপনার বাড়িকে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে বেছে নিলে তাকে তাড়িয়ে না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
বিশ্বাস করা হয়, বাড়িতে বিড়াল ছানা দেওয়া সৌভাগ্যের ইঙ্গিত হতে পারে। এর ফলে পরিবারের ভাগ্যোন্নতি এবং জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে বলেও অনেকে মনে করেন।

কালো বিড়াল দেখলে কি সতর্ক হতে হবে?

কালো বিড়ালকে অশুভ মনে করার প্রচলিত বিশ্বাস বহুদিনের। বিশেষ করে বাড়ির আশপাশে কালো বিড়ালের আনাগোনা নিয়ে অনেকের মনে ভয় কাজ করে।
বাস্তুশাস্ত্রের কিছু প্রচলিত ব্যাখ্যায় বলা হয়, ঘুম থেকে ওঠার পর কালো বিড়াল চোখে পড়া কিংবা রাতে তার ডাক শোনা শুভ নয়। এমন পরিস্থিতিতে সতর্ক থাকার কথা বলা হয়।
তবে এগুলি মূলত লোকবিশ্বাস ও প্রচলিত বাস্তুশাস্ত্রের ধারণা। এর সঙ্গে বাস্তব জীবনে কোনও অমঙ্গলের সরাসরি বৈজ্ঞানিক সম্পর্ক প্রমাণিত নয়।

সাদা বিড়ালকে কেন শুভ মনে করা হয়?

সাদা বিড়ালকে অনেকেই শুভ প্রতীক হিসেবে মনে করেন। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, সাদা বিড়ালের সঙ্গে মা লক্ষ্মীর যোগ রয়েছে। তাই কোনও সাদা বিড়াল বাড়ির আশপাশে থাকলে তাকে যত্ন করার পরামর্শ দেন অনেকে।
বিশ্বাস করা হয়, এর ফলে সংসারে সুখ-সমৃদ্ধি বাড়তে পারে এবং অর্থনৈতিক দিক থেকেও উন্নতির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

সোনালি রঙের বিড়াল বাড়িতে এলে কী হয়?

সোনালি রঙের বিড়ালকেও বাস্তুশাস্ত্রের প্রচলিত বিশ্বাসে অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। এমন বিড়াল বাড়িতে এলে তাকে যত্ন করে রাখার কথা বলা হয়।
লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, সোনালি বিড়ালের আগমন কোনও সুসংবাদের ইঙ্গিত হতে পারে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা কোনও কাজও সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে বলে মনে করা হয়।

বাড়িতে বিড়ালের ঝগড়া কি অশুভ?

বাড়ির চৌহদ্দিতে একাধিক বিড়াল এসে যদি নিয়মিত ঝগড়া করে, তা অনেকের কাছেই অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রচলিত বাস্তুশাস্ত্রের মতে, বাড়ির আশপাশে বিড়ালের অতিরিক্ত ঝগড়াঝাঁটি শুভ লক্ষণ নয়।
বিশ্বাস করা হয়, এর প্রভাব বাড়ির পরিবেশেও পড়তে পারে এবং সংসারে অশান্তি বাড়তে পারে। তাই বিড়ালদের মধ্যে ঝগড়া হলে নিরাপদ উপায়ে তাদের আলাদা করে দেওয়ার চেষ্টা করা যেতে পারে।

বিড়ালকে তাড়িয়ে দেওয়া উচিত?

বাড়ির কোণে কোনও অন্তঃসত্ত্বা বিড়াল বা মা-বিড়াল ছানাদের নিয়ে আশ্রয় নিলে তাকে হঠাৎ করে তাড়িয়ে না দেওয়াই ভালো। বিশেষ করে সদ্যোজাত ছানাদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও সংবেদনশীল। বাস্তুশাস্ত্রের প্রচলিত বিশ্বাসে এটি শুভ বলে মনে করা হলেও, বাস্তব দিক থেকেও প্রাণীটির নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করা প্রয়োজন।

Vastu: পুজোর তিন সামগ্রী মেঝের উপর রাখা নিষিদ্ধ! অমঙ্গল এড়াতে মেনে চলুন এই নিয়ম

সব মিলিয়ে, বাড়ির চৌহদ্দিতে বিড়ালের আসা বা সংসার পাতা নিয়ে নানা ধরনের লোকবিশ্বাস রয়েছে। কেউ একে সৌভাগ্যের লক্ষণ মনে করেন, আবার কেউ রঙ বা আচরণ অনুযায়ী শুভ-অশুভ বিচার করেন। তবে এগুলিকে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত ভবিষ্যদ্বাণী হিসেবে না দেখে প্রচলিত বিশ্বাস হিসেবেই দেখা উচিত।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক