মাত্র চার দিন আগে স্টার জলসায় শুরু হয়েছে ‘বিগ বস বাংলা’। ১৫ জন প্রতিযোগীকে নিয়ে শুরু হওয়া এই রিয়্যালিটি শো এখনও পর্যন্ত কাউকে ঘর থেকে বিদায় দেয়নি। তবে শুরু থেকেই দেখা যাচ্ছে চেনা ছবি—ঝগড়া, অশান্তি, কান্নাকাটি এবং নানা বিষয়ে মতবিরোধ। আর এই বিষয়েই এবার সরব হলেন অভিনেত্রী সুদীপা চট্টোপাধ্যায়।
সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের ক্ষোভের কথা জানিয়েছেন সুদীপা। তাঁর দাবি, ‘বিগ বস বাংলা’-য় অংশ নেওয়ার জন্য তিনিও ডাক পেয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠানে যাওয়া হয়নি তাঁর। এখন প্রথম কয়েক দিনের অনুষ্ঠান দেখার পর অভিনেত্রীর মনে হচ্ছে, সেখানে না যাওয়াই হয়তো তাঁর জন্য ভালো হয়েছে।
সুদীপার কথায়, মাত্র চার দিন অনুষ্ঠান দেখেই তিনি অবাক হয়েছেন। বাঙালির রুচি এবং সংস্কৃতিকে একটি জনপ্রিয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যেভাবে তুলে ধরা হচ্ছে, তা তাঁর পছন্দ হয়নি। তাঁর মতে, সারা দেশের সামনে বাঙালির যে ছবি তুলে ধরা হচ্ছে, সেটি আরও ইতিবাচক হওয়া উচিত। বিশেষ করে প্রতিযোগীদের কথাবার্তা ও আচরণ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন অভিনেত্রী। তিনি ভরত কলের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেছেন। একজন কাশ্মীরি পণ্ডিতের কাছ থেকে বাঙালির ভদ্রতা শেখার কথা উল্লেখ করে, তাঁর আচরণ নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সুদীপা।
শুধু সমালোচনা নয়, ‘বিগ বস বাংলা’ নিয়ে নিজের পরামর্শও দিয়েছেন অভিনেত্রী। তাঁর আবেদন, পুরনো দিনের কলতলা বা কেরোসিন তেলের লাইনের ঝগড়ার সংস্কৃতিকে সামনে না এনে অনুষ্ঠানে বাঙালির হারিয়ে যাওয়া আড্ডা, গান, রান্না এবং অ্যাডভেঞ্চারের মতো বিষয় তুলে ধরা হোক।
সুদীপার মতে, বাঙালি বহু কিছু হারিয়েছে। তাই এমন একটি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নতুনভাবে বাঙালির সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা এবং জীবনযাত্রাকে দেশের সামনে তুলে ধরার সুযোগ রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, ‘বিগ বস বাংলা’-কে কেন্দ্র করে মুম্বই, দিল্লি, বিহার কিংবা বেঙ্গালুরুর কিছু কনটেন্ট ক্রিয়েটর বাঙালি শিল্পীদের নিয়ে হাসাহাসি করছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
অভিনেত্রীর বক্তব্য, ঝগড়া-অশান্তির বদলে অনুষ্ঠানে আরও ভালো ও ইতিবাচক কনটেন্ট আনা প্রয়োজন। তাঁর আশা, ‘বিগ বস বাংলা’ এমন একটি অনুষ্ঠান হয়ে উঠবে, যা শুধু বাঙালির নয়, গোটা দেশের দর্শকের কাছেও গ্রহণযোগ্যতা পাবে।

Hello friends, Myself Biplab. I have been writing horoscopes since 2019. Since 2022, I have also been writing about entertainment, lifestyle, and trending news.