জি বাংলার জনপ্রিয় সঙ্গীত প্রতিযোগিতা ‘সা রে গা মা পা’ এখন শেষ লগ্নে। আর মাত্র কয়েকটি পর্বের অপেক্ষা, তারপরই ঘোষণা হবে এবারের সেরার সেরা শিল্পীর নাম। প্রতিযোগিতার এই গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে নিজের অসাধারণ গানের দক্ষতায় দর্শকদের মন জয় করে ‘সেরা ৪’-এ জায়গা করে নিয়েছেন গায়িকা গীতশ্রী চৌধুরী। তবে শুধু মঞ্চের পারফরম্যান্স নয়, এবার তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের এক আবেগময় সম্পর্কও উঠে এল প্রকাশ্যে।
সম্প্রতি সংগীত পরিচালক ও মেন্টর রথীজিৎ ভট্টাচার্যের জন্মদিন উপলক্ষে সমাজমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট শেয়ার করেন গীতশ্রী। সেখানে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, জীবনের কঠিন সময়ে রথীজিৎ তাঁর কাছে শুধুমাত্র একজন সঙ্গীত শিক্ষক নন, বরং একজন অভিভাবকের মতো। গীতশ্রীর কথায়, বাবার পর এমন একজন মানুষ তিনি পেয়েছেন, যিনি সবসময় পাশে দাঁড়িয়ে সাহস জুগিয়েছেন এবং বিপদের সময় ভরসা দিয়েছেন।
একটি বিশেষ ছবি পোস্ট করে গায়িকা লেখেন, জীবনে বারবার হোঁচট খেলেও এমন একজন মানুষের আশ্বাস তাঁকে আবার উঠে দাঁড়ানোর শক্তি দেয়। বিনোদন জগতের প্রতিযোগিতা, মানসিক চাপ এবং অনিশ্চয়তার মাঝেও রথীজিৎ ভট্টাচার্যের উপস্থিতি তাঁকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে বলেই জানান তিনি।
পোস্টে গীতশ্রী আরও উল্লেখ করেন, তাঁর গুরু যেন সবসময় এভাবেই আশীর্বাদের হাত মাথায় রাখেন। জীবনের প্রতিটি কঠিন সময়ে সেই সাহস এবং ছায়া তিনি আগামীতেও পেতে চান। গুরুর প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা এবং নির্ভরতার অনুভূতি পোস্টের প্রতিটি লাইনে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
গীতশ্রীর এই আবেগঘন বার্তা প্রকাশ্যে আসতেই অনুরাগীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে যায়। অনেকেই রথীজিৎ ভট্টাচার্যকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি গীতশ্রীর আন্তরিক সম্পর্কের প্রশংসা করেছেন। দর্শকদের একাংশের মতে, একজন শিল্পীর সাফল্যের পিছনে যেমন পরিশ্রম থাকে, তেমনই প্রয়োজন একজন সঠিক পথপ্রদর্শকের। আর সেই জায়গাতেই গীতশ্রীর জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন রথীজিৎ।
এখন সকলের নজর ‘সা রে গা মা পা’-র গ্র্যান্ড ফিনালের দিকে। গুরুর আশীর্বাদ এবং দর্শকদের ভালোবাসা সঙ্গে নিয়ে গীতশ্রী শেষ পর্যন্ত বিজয়ের মুকুট ছিনিয়ে আনতে পারেন কিনা, সেটাই দেখার।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than five years.