Kanchan: দৃষ্টিশক্তি হারাতে বসেছিলেন কাঞ্চন! তবে এই জাদুবলে ফিরে পেলেন আলোর দিশা

Kanchan: দৃষ্টিশক্তি হারাতে বসেছিলেন অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক (Kanchan)। তবে স্ত্রীর পরামর্শে তিনি এমন এক ডাক্তার তথা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা করালেন যে সম্পূর্ণ দৃষ্টি ফিরে পেলেন অপারেশনের পর। এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় এই বিষয়ে লম্বা একটি পোস্ট লিখেছেন তিনি। যেখানে বুঝিয়ে দিয়েছেন নতুন করে বাঁচার আনন্দ ফিরে পেয়েছেন তিনি।

ডাক্তারবাবুর পাশে দাঁড়ানো ছবিটি পোস্ট করে তিনি ক্যাপশনে লিখেছেন, “এই ছবিতে যাঁর পাশে আমি দাঁড়িয়ে রয়েছি তিনি হলেন দীশা আই হসপিটালের ডঃ সমর কুমার বসাক। ছবিটা দিলাম এই কারণেই কারণ আমার ক্লাস ওয়ানেরও আগে থেকে চোখে চশমা। ডানচোখে সাংঘাতিক মাইনাস পাওয়ার। ডান চোখে মাইনাস ৮, বাম চোখে মাইনাস ৩। ধীরে ধীরে যখন আমার ডানচোখের দৃষ্টিশক্তি কমতে থাকে আমি বিভিন্ন ডাক্তার দেখানো শুরু করি।

একটা পর্যায় ডাক্তার আমায় বলেন যে ডানচোখে প্রপার দেওয়া হলে সেটা হবে মাইনাস ১৮ ! যেটা সাড়ানো একেবারেই অসম্ভব। এভাবেই চলতে হবে সারা জীবন। পরবর্তীকালে শ্রীময়ীর পরামর্শে আমি পৌঁছে গেলাম দিশা আই হসপিটালে। সেখানে ডঃ সমর কুমার বসাক আমায় আশ্বস্ত করেন যে লেজার অপারেশনের মাধ্যমে আমি আমার ডান চোখের দৃষ্টি আমি ফিরে পাবো।

এবং সেই অপারেশন সফল হল। আমি সত্যিই আমার ডান চোখের দৃষ্টি ফিরে পেলাম। ডঃ সমর কুমার বসাক আমার জীবনে শুধুমাত্র একজন ডাক্তার নয়, তিনি আমার জীবনের একজন নতুন আলো, এক নতুন সূর্য , যিনি আমাকে এই পৃথিবীটাকে নতুন করে দেখার সুযোগ করে দিয়েছেন। লেজার অপারেশনের পরে এখন আমার ডানচোখে কোনো পাওয়ারই নেই, বাম চোখে মাইনাস ১ মাত্র। চশমাটি শুধুমাত্র এখন একটা অপশন মাত্র । দরকারে পড়লে পরতে পারি ।

আমি ভাবতেও পারিনি চল্লিশ বছরের উপর যেটিকে নাকের উপর বহন করেছি সেটা একটিমাত্র অপারেশনে পালটে যাবে। ডঃ সমর কুমার বসাকের হাতের যাদুতে এবং দিশা আই হসপিটালের তত্ত্বাবধানে চারদিকের আকাশটাকে এরকম পরিস্কারভাবে দেখতে পাব আমি সত্যিই কোনোদিন ভাবিনি। অপারেশনের পরে যখন প্রথম আমি চারপাশে তাকিয়ে দেখেছি তখন ওই গানটাই মনে পড়েছে, ‘এই এত আলো, এত আকাশ আগে দেখিনি। ওই চোখে পড়েনি।”

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক