অলৌকিকভাবে বাড়ছে কানিপাকম বিনায়ক মন্দিরের গণেশ মূর্তির আকার! ভক্তদের ভিড়, রহস্যের কিনারা করতে পারেননি বিজ্ঞানীরাও

অন্ধ্রপ্রদেশের চিত্তুর জেলার কানিপাকম (Kanipakam) গ্রামে অবস্থিত প্রাচীন বিনায়ক মন্দিরকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই প্রচলিত রয়েছে এক বিস্ময়কর বিশ্বাস। স্থানীয়দের দাবি, মন্দিরের স্বয়ম্ভূ গণেশ মূর্তির আকার প্রতি বছরই অল্প অল্প করে বেড়ে চলেছে। এই ঘটনাকে অলৌকিক বলে মনে করেন অসংখ্য ভক্ত। আর সেই কারণেই দেশ-বিদেশ থেকে প্রতিদিনই বহু মানুষ এই মন্দিরে ভিড় জমান।

কুয়ো খুঁড়তে গিয়েই মিলেছিল স্বয়ম্ভূ গণেশের আবির্ভাব
লোককথা অনুযায়ী, বহু বছর আগে এলাকায় জলসংকট দূর করতে একটি কুয়ো খোঁড়ার কাজ চলছিল। খননের সময় হঠাৎ মাটির নিচ থেকে রক্তের মতো লাল তরল বেরিয়ে আসতে শুরু করে। ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন শ্রমিকরা। পরে কুয়োর জল সেচে দেখা যায়, মাটির নিচে স্বয়ম্ভূ রূপে বিরাজ করছেন ভগবান গণেশ। কোনও শিল্পীর হাতে নির্মিত নয়, প্রাকৃতিকভাবেই মাটির গর্ভ থেকে প্রকাশ পেয়েছিল এই বিগ্রহ। এরপর সেই স্থানেই প্রতিষ্ঠিত হয় আজকের বিখ্যাত কানিপাকম বিনায়ক মন্দির।

কেন বাড়ছে গণেশ মূর্তির আকার?
মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, কয়েক দশক আগে গণেশ মূর্তির মাপ অনুযায়ী একটি রুপোর বর্ম তৈরি করা হয়েছিল। সেই সময় সেটি বিগ্রহের গায়ে নিখুঁতভাবে মানিয়ে যেত। কিন্তু বর্তমানে সেই একই বর্ম আর মূর্তির গায়ে পরানো সম্ভব হচ্ছে না। কারণ, বিগ্রহ আগের তুলনায় চওড়া ও বড় হয়ে যাওয়ায় পুরনো অলঙ্কার ছোট হয়ে পড়েছে। ফলে নতুন করে বড় মাপের অলঙ্কার ও বর্ম তৈরি করতে হচ্ছে।

রহস্যের উত্তর খুঁজেও সফল নন গবেষকেরা
এই অদ্ভুত ঘটনার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা খুঁজতে বিভিন্ন সময়ে গবেষকরা পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছেন। আবহাওয়ার প্রভাব, পরিবেশগত পরিবর্তন কিংবা পাথরের স্বাভাবিক প্রসারণ—সব দিক থেকেই বিষয়টি বিশ্লেষণ করার চেষ্টা হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত এমন কোনও নিশ্চিত বৈজ্ঞানিক কারণ সামনে আসেনি, যা মূর্তির আকার বৃদ্ধির দাবিকে স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে।

শ্রাবণের পাঁচ সোমবারে শিবলিঙ্গে কী অর্পণ করবেন? শাস্ত্রসম্মত উপাচারে মিলতে পারে মহাদেবের আশীর্বাদ

ভক্তদের কাছে অলৌকিক বিশ্বাসের কেন্দ্র
যেখানে বিজ্ঞান এখনও নিশ্চিত উত্তর দিতে পারেনি, সেখানে ভক্তদের বিশ্বাস আরও দৃঢ় হয়েছে। তাঁদের মতে, এটি ভগবান গণেশের অলৌকিক লীলা। সেই বিশ্বাসকে কেন্দ্র করেই কানিপাকম বিনায়ক মন্দির আজ ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় গণেশ তীর্থক্ষেত্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। প্রতি বছর হাজার হাজার ভক্ত এই মন্দিরে এসে প্রার্থনা করেন এবং স্বয়ম্ভূ গণেশের দর্শন লাভ করেন।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক