মোহনবাগান ক্লাবের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বোস, যিনি ক্রীড়ামহলে ‘টুটু বোস’ নামেই বেশি পরিচিত, তাঁর প্রয়াণে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে বাংলা ফুটবল মহলে। মঙ্গলবার রাতে তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই ক্রীড়াপ্রেমী এবং মোহনবাগান সমর্থকদের মধ্যে শোকের আবহ তৈরি হয়।
টুটু বোসকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বুধবার মোহনবাগান ক্লাবে উপস্থিত হন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক এবং খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া। বিধানসভায় শপথগ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেই তাঁরা সবুজ-মেরুন শিবিরে পৌঁছন।
ক্লাবে টুটু বোসের মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করার পর শুভেন্দু অধিকারী বলেন, মোহনবাগান ক্লাবের সদস্য, সমর্থক এবং টুটুবাবুর অনুরাগীদের প্রতি সহমর্মিতা জানাতেই তাঁরা এসেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, টুটু বোস শুধুমাত্র একজন প্রশাসক ছিলেন না, তিনি মোহনবাগানকে নিজের পরিবারের মতো আগলে রেখেছিলেন।
শুভেন্দু আরও বলেন, টুটু বোসের আদর্শ এবং ক্লাবের প্রতি তাঁর আত্মিক টান আগামীদিনে সমর্থকদের অনুপ্রেরণা জোগাবে। তাঁর মতে, মোহনবাগানকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই হবে প্রয়াত এই ক্রীড়া সংগঠকের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধার্ঘ্য।
তিনি টুটু বোসের অবদানকে ভারতীয় এবং বাংলা ফুটবলের জন্য এক বড় ক্ষতি বলে উল্লেখ করেন। দীর্ঘদিন ধরে ক্লাব পরিচালনার ক্ষেত্রে তাঁর দূরদর্শিতা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তৈরি করার মানসিকতা বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়। ক্রীড়া প্রশাসনে তাঁর অভিজ্ঞতা এবং চিন্তাভাবনার বিস্তৃতি মোহনবাগানের সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি ছিল বলেও মত প্রকাশ করেন শুভেন্দু অধিকারী।
টুটু বোসের মৃত্যুতে শুধু মোহনবাগান পরিবার নয়, সমগ্র বাংলা ক্রীড়াজগত এক অভিজ্ঞ সংগঠককে হারাল বলে মনে করছেন অনেকেই।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than five years.