বলিউডে গানের জগতে তিনি একজন জনপ্রিয় গায়িকা। তার নাম শোনেনি এমন মানুষ দেশে নেই বললেই চলে। তিনি হলেন অল্কা ইয়াগনিক। গানের জগতে এক আশ্চর্য প্রতিভা। তিনি তার গান দিয়ে মন জয় করেছেন লক্ষ লক্ষ শ্রোতার। জানা যায়, তিনি তার জীবনে ১৬টি ভাষায় ২০০০ গান গেয়েছেন। বলিউডে কাজ করলেও তিনি কলকাতার মেয়ে। বিশেষ প্রকাশ্যে আসতে দেখা যায়নি তাকে। সবসময় লোকচক্ষুর আড়ালেই থাকতে পছন্দ করেছেন।
অল্কা প্রথম বলিউডে তার যাত্রা শুরু করেন ‘পায়েল কি ঝঙ্কার’ ছবির প্লেব্যাক সিঙ্গার হিসেবে। সেইসময় আশা ও লতার মতন কিংবদন্তি গায়িকাদের মানুষ ভালোবেসে ফেলেছেন। সেই অবস্থাতে দুর্দান্ত গানের গলা দিয়ে শ্রোতাদের মন জয় করে নিয়েছিলেন তিনি। অল্কা তার গানের জগতে কুমার শানু, উদিত নারায়ণের মতন গায়কদের সঙ্গে প্রচুর গানে গলা মিলিয়েছেন। শোনা যায় তাদের সঙ্গে অল্কার প্রেমের গুঞ্জন। কিন্তু প্রকাশ্যে গায়িকা একজনকেই মনে প্রাণে ভালোবেসেছিলেন।
আরও পড়ুন,
*তাজমহলে শাহজাহানের মৃত্যুদিন উদযাপন স্থগিত! দাবিতে আদালতের দারস্থ হল অখিল ভারত হিন্দু মহাসভা
*দলের প্রধানের পর শিক্ষামন্ত্রীর বাড়িতে নোটিশ জারি দিল্লি পুলিশের
তার নাম হল নীরজ কাপুর। তিনি শিলং-এর একজন নামজাদা ব্যবসায়ী। ১৯৮৯ সালে সাত পাকে বাঁধা পড়েন অল্কা ও নীরজ। যদিও বিয়ে করলেও বিবাহিত জীবনের বেশিরভাগ সময় তারা আলাদা কাটিয়েছেন। কারণ অল্কার তখন কেরিয়ার মধ্য গগনে, অপরদিকে শিলং-এ নীরজ ব্যবসায় ফুলে ফেঁপে উঠেছেন। তাই তাদের মধ্যে একসঙ্গে থাকা হতো বেশ কম। এমন অবস্থায় বেশিরভাগ সম্পর্কে বিচ্ছেদ হয় কিন্তু অল্কা বা নীরজ সেই পথে হাঁটেননি।
নিজেদের বৈবাহিক জীবনে দূরত্ব এলেও একে অপরের পাশে থেকেছেন। তাদের দেখা হওয়ার ঘটনাটিও বেশ মজাদার। অল্কা ও তার মা একবার দিল্লি গিয়েছিলেন। স্টেশনে তাদের নিতে এসেছিলেন নীরজ। অল্কার মায়ের এক বন্ধুর আত্মীয় ছিলেন নীরজ। প্রথম দেখায় একে অপরকে ভালো লেগে যায় তাদের। এরপর ধীরে ধীরে সম্পর্কের সমীকরণ বদলাতে শুরু করে। ব্যবসার কাজে মুম্বাই এলে গায়িকার সঙ্গে দেখা করতেন নীরজ।
অল্কা তখন বেশ জনপ্রিয় একজন গায়িকা তাই তার পক্ষে শিলং গিয়ে থাকা সম্ভব হয়নি। এদিকে নীরজের নিজের ব্যবসা ছেড়ে মুম্বাইতে থাকা সম্ভব হয়নি৷ তারা নিজেদের বাড়িতে সম্পর্কের কথা জানালে বেশ আপত্তি এসেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা একে অপরের পাশে থেকে গিয়েছেন। যদিও নীরজ একবার মুম্বাই এসে অল্কার সঙ্গে ব্যবসা শুরু করতে চেয়েছিলেন কিন্তু তাকে ঠকতে হয়৷ এরপর অল্কা তাকে বলেন শিলং-এ থেকে তার কাজ করে যেতে। তারা প্রায় পাঁচ বছর আলাদা থাকলেও শেষ পর্যন্ত আবার একে অপরের সঙ্গে থেকেছেন।
আরও পড়ুন,
*Dadagiri 10: ‘ময়শ্চারাইজার,তারপর কনসিলার, কনট্যুর..’, খুদে বিউটিশিয়ানের কথা শুনে ‘থ’ সৌরভ! কী সিদ্ধান্ত নিলেন দাদা?
*রুপোলী পর্দা থেকে এবার রাজনীতির ময়দানে থালাপতি বিজয়, জানালেন দলের নাম

Hello, I am Biplab Baroi. I have been working in blogging for more than four years. I began my journey in the digital media industry in 2021.
Along with covering daily news and current events, I write articles on tech news, smartphones, and astrology. My work is created strictly for educational purposes use only.