৯ মে বাঙালির কাছে এমনিতেই আবেগের দিন। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীর আবহে এ দিনটি আরও বিশেষ হয়ে উঠল ছোট পর্দার জনপ্রিয় মুখ সাইনা চট্টোপাধ্যায়ের জন্য। কারণ, এই দিনেই জীবনের নতুন অধ্যায়ে পা দিলেন অভিনেত্রী। ষোলো বছরে পৌঁছে জন্মদিনের শুরুতেই পেলেন এক বিশেষ চমক, আর সেই চমক এনে দিলেন তাঁর সহ-অভিনেতা সোমরাজ মাইতি।
মধ্যরাতে সাইনার জন্য নীল অর্কিডের তোড়া ও একটি বিশেষ কেক পাঠান সোমরাজ। জন্মদিনের সেই মুহূর্তের ছবি নিজের সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নেন অভিনেত্রী। কেকে লেখা ছিল ‘টরাস বেবি’, যা সাইনার রাশিচক্রের সঙ্গে মিল রেখেই দেওয়া আদুরে সম্বোধন। উপহার পেয়ে আবেগাপ্লুত সাইনা সোমরাজকে ধন্যবাদ জানিয়ে জানান, জন্মদিনের প্রথম উপহারটিই এসেছে তাঁর কাছ থেকে।
বর্তমানে ধারাবাহিক ‘কনে দেখা আলো’-তে একসঙ্গে অভিনয় করছেন সোমরাজ ও সাইনা। পর্দায় তাঁদের সম্পর্ক রোম্যান্টিক হলেও বাস্তবে সমীকরণ একেবারেই অন্যরকম। বয়সে ছোট হওয়ায় সাইনাকে নিজের বোনের মতোই আগলে রাখেন সোমরাজ। শুটিং ফ্লোরে অভিনয়ের নানা খুঁটিনাটি শেখানো থেকে শুরু করে ভুল শুধরে দেওয়া— সব ক্ষেত্রেই বড় দাদার দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায় তাঁকে।
টলিপাড়ায় যেখানে প্রায়ই সম্পর্কের টানাপোড়েন বা প্রতিযোগিতার খবর সামনে আসে, সেখানে সোমরাজ ও সাইনার আন্তরিক সম্পর্ক আলাদা করে নজর কাড়ছে। তাঁদের এই বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের কাছেও ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে।
শুধু সহ-অভিনেতাই নন, জন্মদিনে মেয়েকে বিশেষ উপহার দিয়েছেন সাইনার মা সংযুক্তাও। মেয়ের জন্য তিনি নিয়ে এসেছেন একটি সুন্দর হ্যান্ডব্যাগ ও সোয়ারোভস্কি নেকলেস। পছন্দের এই উপহার পেয়ে বেশ খুশি অভিনেত্রী।
এদিকে ‘কনে দেখা আলো’-র সাম্প্রতিক পর্বেও লাজুর চরিত্রে এসেছে বড় পরিবর্তন। স্বামী সুদেবের মৃত্যুর রহস্য মেনে নিতে নারাজ সে। নিজের জীবনের নতুন স্বপ্ন গড়তে প্রতিবাদী রূপে সামনে এসেছে লাজু। চরিত্রের এই বদল দর্শকদের মধ্যেও যথেষ্ট সাড়া ফেলেছে।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than five years.