ক্রিম নয়, প্রাকৃতিক ফেস অয়েলেই ত্বকের যত্ন! ঘরেই বানান বলিরেখা কমানোর কার্যকর তেল

ত্বকের যত্নে এত দিন পর্যন্ত বেশির ভাগ মানুষই বিভিন্ন ধরনের ক্রিম বা ময়েশ্চারাইজ়ারের উপর নির্ভর করতেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ফেস অয়েল বা মুখে ব্যবহারের তেলের জনপ্রিয়তা দ্রুত বেড়েছে। সঠিক তেল ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে, ত্বককে কোমল রাখে এবং বয়সের ছাপ কিছুটা কম চোখে পড়তে সহায়ক হতে পারে। বাজারে নানা ধরনের ফেস অয়েল পাওয়া গেলেও অনেকেরই উদ্বেগ থাকে, সেগুলিতে থাকা সংরক্ষণকারী বা অন্যান্য উপাদান সংবেদনশীল ত্বকের জন্য সব সময় উপযোগী নাও হতে পারে। তাই অনেকেই এখন ঘরোয়া উপায়ে প্রাকৃতিক ফেস অয়েল তৈরি করতে আগ্রহী।

ব্রণপ্রবণ ত্বকের জন্য কী বানাবেন?

যাঁদের ত্বকে সহজেই ব্রণ হয়, তাঁদের জন্য রোজ়মেরি অয়েল ও টি-ট্রি এসেনশিয়াল অয়েলের সংমিশ্রণ উপকারী হতে পারে। ২ টেবিল চামচ রোজ়মেরি অয়েলের সঙ্গে ৩-৪ ফোঁটা টি-ট্রি এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে নিন। এরপর এটি অলিভ অয়েল বা নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করুন। সপ্তাহে তিন দিন মুখে লাগালে ত্বক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করতে পারে এবং ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতাও ফিরতে পারে।

ক্রিম নয়, প্রাকৃতিক ফেস অয়েলেই ত্বকের যত্ন! ঘরেই বানান বলিরেখা কমানোর কার্যকর তেল
ক্রিম নয়, প্রাকৃতিক ফেস অয়েলেই ত্বকের যত্ন! ঘরেই বানান বলিরেখা কমানোর কার্যকর তেল

শুষ্ক ত্বকের জন্য কার্যকর মিশ্রণ
অতিরিক্ত শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বকের ক্ষেত্রে আর্গন অয়েল, ক্যাস্টর অয়েল এবং আমন্ড অয়েলের মিশ্রণ ব্যবহার করা যেতে পারে। ১ টেবিল চামচ আর্গন অয়েলের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ ক্যাস্টর অয়েল এবং ১ টেবিল চামচ আমন্ড অয়েল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করতে পারে। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক আরও নরম ও মসৃণ অনুভূত হতে পারে এবং পুরনো দাগছোপও কিছুটা হালকা হতে পারে।

বয়সের ছাপ কমাতে কোন তেল?

ত্বকে বলিরেখা বা বয়সের ছাপ কমানোর লক্ষ্য থাকলে ডালিমের বীজের তেল এবং পেপারমিন্ট অয়েলের মিশ্রণ ব্যবহার করা যেতে পারে। ২ টেবিল চামচ ডালিমের বীজের তেলের সঙ্গে ৩ টেবিল চামচ পেপারমিন্ট অয়েল মিশিয়ে তার সঙ্গে সামান্য নারকেল বা অলিভ অয়েল যোগ করুন। প্রতিদিন রাতে মুখ পরিষ্কার করার পর এই তেল ব্যবহার করলে ত্বক পুষ্টি পেতে পারে এবং বয়সের ছাপ কিছুটা কম দৃশ্যমান হতে পারে।

ব্যবহারের আগে যা মনে রাখবেন
যে কোনও নতুন তেল বা এসেনশিয়াল অয়েল সরাসরি মুখে লাগানোর আগে হাতে বা কানের পিছনে অল্প করে লাগিয়ে পরীক্ষা করে নেওয়া উচিত। কোনও রকম জ্বালা, লালচে ভাব বা অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দিলে তা ব্যবহার বন্ধ করুন। এছাড়া এসেনশিয়াল অয়েল কখনও সরাসরি ত্বকে ব্যবহার না করে ক্যারিয়ার অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে লাগানোই নিরাপদ। নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার রাখা, পর্যাপ্ত পানি পান এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসও সুন্দর ও সুস্থ ত্বক বজায় রাখতে সমান গুরুত্বপূর্ণ।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক