বলিউডে পুরস্কার কি টাকা দিয়ে কেনা যায়? ফিল্মফেয়ারের মঞ্চে দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন নানা পাটেকর!

বলিউডের ঝলমলে দুনিয়ায় বরাবরই নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করেছেন অভিনেতা নানা পাটেকর। অভিনয়ের পাশাপাশি বাস্তব জীবনেও স্পষ্টবক্তা হিসেবেই পরিচিত তিনি। কোনও বিষয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করতে কখনও পিছপা হননি বর্ষীয়ান এই অভিনেতা। এমনকী, বলিউডের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান নিয়েও একসময় প্রকাশ্য মঞ্চে এমন মন্তব্য করেছিলেন তিনি, যা ঘিরে তৈরি হয়েছিল চর্চা। তাঁর কথায় উঠে এসেছিল ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন।

১৯৯৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ক্রান্তিবীর’ ছবিতে দুর্দান্ত অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেতার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পেয়েছিলেন নানা পাটেকর। সেই ছবিতে প্রতাপ নারায়ণ তিলকের চরিত্রে তাঁর অভিনয় দর্শকদের নজর কেড়েছিল। পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে কিংবদন্তি অভিনেতা দিলীপ কুমারের হাত থেকে সম্মান গ্রহণ করেন নানা। কিন্তু পুরস্কার হাতে পেয়েও চিরাচরিত ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্যেই নিজের বক্তব্য সীমাবদ্ধ রাখেননি তিনি।

মঞ্চে উঠে প্রথমেই পরিচালক মেহুল কুমারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন নানা। তাঁর বক্তব্য ছিল, এই সম্মান পাওয়ার পিছনে পরিচালকের অবদান অনস্বীকার্য। পাশাপাশি দর্শক ও অনুরাগীদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান অভিনেতা। নিজের চেহারা নিয়ে রসিকতা করে তিনি বলেন, দেখতে অভিনেতার মতো না হয়েও, কুলি বা মজুরের মতো চেহারা নিয়েও যে এমন সম্মান পাওয়া সম্ভব, তা তাঁর কাছে আনন্দের বিষয়।

ফিল্মফেয়ার পুরস্কার নিয়ে কী বলেছিলেন নানা পাটেকর?

অনুষ্ঠানের সবচেয়ে চর্চিত মুহূর্তটি আসে এরপরেই। পুরস্কার প্রদান ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে নিজের মনের কথা প্রকাশ্যে তুলে ধরেন নানা। তাঁর মন্তব্যে স্পষ্ট হয়ে ওঠে, পুরস্কার নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে যে সংশয় তৈরি হয়, তা তাঁর মনেও একসময় ছিল।

নানা পাটেকর জানিয়েছিলেন, আগে তাঁর ধারণা ছিল, ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড বুঝি টাকা দিয়ে কেনা যায়। কিন্তু নিজের হাতে পুরস্কার পাওয়ার পর তাঁর সেই ধারণায় কিছুটা পরিবর্তন আসে। তিনি বলেন, যতক্ষণ না নিজের হাতে পুরস্কারটি আসছিল, ততক্ষণ তাঁরও মনে হতো, হয়তো অর্থের বিনিময়ে এই সম্মান পাওয়া সম্ভব। আর পুরস্কার না পেলে তিনিও হয়তো বলতেন, অন্য কেউ সেটি কিনে নিয়েছেন। অভিনেতার এই বক্তব্যের মধ্যে ছিল আত্মসমালোচনার সুরও। তিনি বোঝাতে চেয়েছিলেন, কোনও পুরস্কার না পেলে মানুষের মনে সন্দেহ তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। তবে পুরস্কার হাতে পাওয়ার পর তাঁর মনে হয়েছিল, অন্তত সব ক্ষেত্রে এমনটা নাও হতে পারে।

প্রতিযোগীদের প্রতিও ছিল শ্রদ্ধা

পুরস্কার নিয়ে এমন মন্তব্য করলেও সহ-অভিনেতা ও প্রতিযোগীদের প্রতি নিজের শ্রদ্ধা প্রকাশ করতে ভোলেননি নানা পাটেকর। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সেই বছর সেরা অভিনেতার বিভাগে যাঁরা মনোনয়ন পেয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্য কেউ পুরস্কার পেলেও তিনি সমান খুশি হতেন। কারণ, তাঁদের প্রত্যেককেই নিজের পরিবারের সদস্যের মতো মনে করতেন তিনি।

পুজোর শহরে ঠোঁটে ঠোঁট কাঞ্চন-শ্রীময়ীর! ঘনিষ্ঠ ছবি পোস্ট করতেই কটাক্ষের বন্যা নেটপাড়ায়
পুজোর শহরে ঠোঁটে ঠোঁট কাঞ্চন-শ্রীময়ীর! ঘনিষ্ঠ ছবি পোস্ট করতেই কটাক্ষের বন্যা নেটপাড়ায়

নানার এই বক্তব্যে একদিকে যেমন উঠে এসেছিল বলিউডের পুরস্কার প্রদান ব্যবস্থা নিয়ে তাঁর ব্যক্তিগত সংশয়, অন্যদিকে তেমনই প্রকাশ পেয়েছিল সহকর্মীদের প্রতি তাঁর সম্মান। স্পষ্টবক্তা হিসেবে পরিচিত এই অভিনেতার সেই পুরনো বক্তব্য আজও বলিউডের পুরস্কার নিয়ে বিতর্কের প্রসঙ্গে আলোচনায় ফিরে আসে।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক