আমরা একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্রের কথা আগেই শুনেছি। সেই যন্ত্রটির মাধ্যমে আপনি নিজে নিজেই মারা যেতে পারবেন আপনাকে কোন কিছুই করতে হবে না এই যন্ত্রটি বিশেষ করে তাদের জন্য বানানো যারা যেকোনো একটি নির্দিষ্ট রোগে অনেকদিন ধরে ভুগছেন কিন্তু সেরে ওঠেন না তাদের বাঁচার ইচ্ছে নেই তাদের জন্যই এই যন্ত্রের তৈরি করা । এরকম যন্ত্রের মাধ্যমে আপনি কারো সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজেই সুইসাইড করতে পারবেন। কোন ডাক্তার বা অন্য কোন ব্যক্তি সাহায্য ছাড়াই আপনি সুইসাইড করতে পারবেন।
এমন যন্ত্রের কথা আমরা আগেই শুনেছি কিন্তু এইবার সুইজারল্যান্ডে এইরকম যন্ত্রের দ্বারা মৃত্যু হল এক মহিলার। একটি ক্যাপসুল বা পট এর মত তৈরি করেছিল যা কোন অসুখ হলে খেতে দেয় এমন ক্যাপসুল নয় সে ক্যাপসুল এর মধ্যে একজন লোক ঢুকে যেতে পারবেন এতটাই বড় আর তার মধ্যে ঢুকে আপনি কোন একটি সুইচ অন করলেই আপনার মৃত্যু হবে। যন্ত্রের পরীক্ষা করার জন্য গত সোমবার23সেপ্টেম্বর সুইজারল্যান্ডে একজন মহিলা মারা যান এই কারণে অনেকজন গ্রেফতার হন।
সুস্থ থাকার সেরা উপায়
শরীরের সব রকম ব্যাথা উধাও হবে, রোজ সকালে খান এই পানীয়, ইউরিক অ্যাসিড কমানোর মক্ষম অস্ত্র
নেদারল্যান্ডে একটি সংস্থার উদ্যোগের এই কথা আগেই জানা গিয়েছিল। জুলাই মাসে জুরিখে সারকো পড নামের এই যন্ত্রের প্রদর্শনী হয়েছিল। চিকিৎসকদের সাহায্য ছাড়াই নিজেদের জীবন শেষ করতে চান তাদের জন্য এই যন্ত্র। ইস জানিয়েছেন পুলিশ জানিয়েছে, মেরিশাউসেন নামে জার্মান সীমান্তবর্তী সুইজারল্যান্ডের এক কম জনবহুল এলাকায় জঙ্গলের মধ্যে এই ঘটনাটি ঘটে।
এবং একটি আইনের সংস্থা কিন্তু পুলিশ সেখানে পৌঁছানোর সাথে সাথে এই ঘটনাটি ঘটে যায়। বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার ও করা হয়। তারা কারা কিছুই জানা হয়নি, সেই মহিলাটিকে তাও জানা হয়নি, এই নিয়ে একটি ফৌজদারি তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
এই যন্ত্রটি পোর্টেবল অর্থাৎ আপনি যেকোনো সময় যে কোন জায়গায় নিয়ে যেতে পারবেন। যাদের নিজের ইচ্ছে মরার ইচ্ছা রয়েছে কিন্তু তাদের দেশে নিজের ইচ্ছায় মরা বেআইনি তারা সুইজারল্যান্ডে চলে আসেন। এই ক্যাপসুল এর ভেতরে ঢুকে কোন ব্যক্তি একটি সুইচ ক্লিক করলেই আস্তে আস্তে সেই ক্যাপসুলের ভিতরে বিষাক্ত নাইট্রোজেন গ্যাস নির্গত হতে থাকবে আর কয়েক মিনিটের মধ্যে তিনি শ্বাসরুদ্ধ করে মারা যাবেন। যন্ত্রটি তৈরি করতে খরচ লেগেছে ১০ লক্ষ মার্কিন ডলারেরও বেশি।
সেরা রান্না
খাসির মাংস খেতে দারুন লাগে? কাদের জন্য ভীষণ উপকারী, জানেন?

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.