নন্দীগ্রাম ছাড়লেও সম্পর্ক অটুট, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর আশ্বাস ‘আমি আছি, থাকব’

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার নন্দীগ্রামে জনসভা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এই সভা ঘিরে সকাল থেকেই এলাকায় উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। কারণ, সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর— দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হওয়ার পর সাংবিধানিক নিয়ম মেনে একটি আসন ছাড়তে হয়েছে তাঁকে। শেষ পর্যন্ত তিনি নন্দীগ্রাম আসন ছেড়ে ভবানীপুরকে নিজের প্রতিনিধিত্বের কেন্দ্র হিসেবে বেছে নেন।

এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই নন্দীগ্রামের একাংশের মানুষের মধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল— শুভেন্দু অধিকারী কি আগের মতোই এলাকার সঙ্গে যুক্ত থাকবেন? উন্নয়নের কাজ বা মানুষের সমস্যা সমাধানে কি একইভাবে পাওয়া যাবে তাঁকে? রবিবারের সভা থেকে সেই সব জল্পনারই জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

সভামঞ্চ থেকে শুভেন্দু বলেন, সাংবিধানিক নিয়ম মেনেই একটি আসন ছাড়তে হয়েছে তাঁকে। তবে নন্দীগ্রামের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কোনওভাবেই কমবে না। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, দীর্ঘদিন ধরে যেভাবে এলাকার মানুষের পাশে থেকেছেন, ভবিষ্যতেও সেইভাবেই থাকবেন।

নিজের রাজনৈতিক যাত্রার প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু স্মরণ করান, ২০০৬ সালের আন্দোলনের সময় থেকেই তিনি নন্দীগ্রামের মানুষের সঙ্গে রয়েছেন। দক্ষিণ কাঁথির বিধায়ক থাকাকালীন সময়েও নন্দীগ্রামের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। পরে ২০২১ সালে নন্দীগ্রামের মানুষ তাঁকে বিধায়ক নির্বাচিত করেন বলেও তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, মানুষের দেওয়া সেই সমর্থন ও বিশ্বাসের মর্যাদা তিনি সবসময় রাখবেন। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলালেও নন্দীগ্রামের মানুষের জন্য তাঁর দরজা আগের মতোই খোলা থাকবে। দলীয় কার্যালয় থেকেও আগের মতো পরিষেবা চালু থাকবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

সভায় বিজেপির সংগঠন নিয়েও আত্মবিশ্বাসী মন্তব্য করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, নন্দীগ্রামে বিজেপি আজ শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে সাধারণ মানুষের সমর্থনেই। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, এলাকার মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসকে সম্মান জানিয়েই তিনি কাজ চালিয়ে যাবেন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা কঠিন পরিস্থিতির সময়েও মানুষের পাশে থাকার কথা তুলে ধরে শুভেন্দু বলেন, অতীতে যেমন তিনি ঝড়-বৃষ্টি কিংবা শীতের সময় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, ভবিষ্যতেও সেই ভূমিকা অব্যাহত থাকবে।

রাজনৈতিক মহলের মতে, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর নন্দীগ্রামে এসে শুভেন্দুর এই বার্তা মূলত আবেগ ও রাজনৈতিক সম্পর্ক দুটিকেই আরও দৃঢ় করার কৌশল। কারণ, নন্দীগ্রাম তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবেই বিবেচিত হয়।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক