খুব শীঘ্রই হয়তো দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে উত্তর কোরিয়া! এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আসলে উত্তর কোরিয়ার স্বৈরাচারী শাসক কিম জং উন সাম্প্রতিক সময়ে এমন কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছেন যেগুলি উদ্বেগ তৈরি করেছে দক্ষিণ কোরিয়াকে ঘিরে।
আগে দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে সম্প্রীতির কথা বললেও ধীরে ধীরে তার মনোভাব পরিবর্তিত হয়েছে। একটি রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, ‘উত্তর কোরিয়া যুদ্ধ চায় না কিন্তু তাই বলে আমরা যুদ্ধ থেকে পালিয়ে আসবো না।’ শুধু তাই নয় কয়েক মাসে বেশ কয়েকবার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা এবং সামরিক বাহিনীকে যুদ্ধের জন্য তৈরি হওয়ার আদেশও দিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন,
*কন্যার আর্থিক অবস্থা ভাল হলেও পৈতৃক সম্পত্তির অধিকার পাবেন, রায় তেলেঙ্গনা হাই কোর্টের
*ঘুষ নেওয়ার সময় হাতেনাতে পাকড়াও হতেই কেঁদে কেঁটে একাকার সরকারি আধিকারিক! প্রকাশ্যে এল সেই ভিডিয়ো
যার ফলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন হয়তো যে কোনো সময় দুই কোরিয়া সশস্ত্র যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে। প্রথমত পরস্পরকে লক্ষ্য করে গোলাবর্ষণ এমনকি পরে আকাশপথেও শুরু হতে পারে হামলা। যদি উত্তর কোরিয়া দক্ষিণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে তা আমেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার সমান। ফলে হয়তো তারা শুধু যুদ্ধের প্রস্তুতিই প্রদর্শন করছে।
অন্যদিকে এও মনে করা হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়াকে শত্রু ঘোষণা করার নেপথ্যে তাদের অন্য মনোবৃত্তি রয়েছে। যেহেতু কিমের বিরুদ্ধে একাধিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে, তাই তিনি যদি দেখাতে পারেন দক্ষিণ কোরিয়া যুদ্ধের হুমকি দিয়েছে তাহলে তিনি তার পরমাণুর অস্ত্র-ভান্ডার বৃদ্ধি করতে পারবেন।
অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে মনে করা হচ্ছে যতই তারা হুমকি দিক না কেন সরাসরি যুদ্ধের পথে নামবে না। আসলে তাদের মূল লক্ষ্য হলো নিজের ক্ষমতা বজায় রাখা। বর্তমানে উত্তর কোরিয়া নিজের বন্ধু দেশ হিসেবে বেছে নিয়েছে চীন এবং রাশিয়াকে। যেহেতু গোটা বিশ্বে আমেরিকার প্রভাব ধীরে ধীরে কমে আসছে, তাই তাকে বিশেষ পাত্তা দিচ্ছে না উত্তর কোরিয়া।
আরও পড়ুন,
*Sandeshkhali: সন্দেশখালির ‘নির্যাতিতাদের’ সঙ্গে দেখা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু অধিকারী
*৮ কোটি টাকা! আনন্দে ফোন তুলতেই মহিলার জীবন নরক! পুলিশও হতবাক

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.