বলিউডে সম্পর্কের সমীকরণ যে মুহূর্তে বদলে যেতে পারে, তা নতুন করে প্রমাণ করল মৌনী রায় ও সূরজ নাম্বিয়ারের বিচ্ছেদের খবর। চার বছরের দাম্পত্যে ইতি টানার সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তবে এই বিচ্ছেদের ঘটনায় সবচেয়ে বেশি আলোচনায় উঠে এসেছেন অভিনেত্রী দিশা পাটানি।
দীর্ঘদিন ধরেই মৌনী রায় ও দিশা পাটানিকে বলিপাড়ার অন্যতম ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে দেখা যায়। একসঙ্গে বিদেশ সফর, পার্টি, রেস্তরাঁয় আড্ডা কিংবা বিশেষ মুহূর্তের ছবি— দুই অভিনেত্রীর বন্ধুত্ব বরাবরই ছিল চর্চার বিষয়। মৌনী নিজেও বহুবার প্রকাশ্যে দিশার প্রশংসা করেছেন। তাঁর কথায়, জীবনের নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে দিশা যে জায়গায় পৌঁছেছেন, সেখানে সহজে কাউকে তাঁর যোগ্য মনে হয় না।
কিন্তু পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে মৌনী ও সূরজের বিচ্ছেদের খবর সামনে আসার পর। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকের নজরে আসে, দিশা আচমকাই সূরজকে আনফলো করেছেন। আর সেই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে শুরু হয় নতুন জল্পনা। নেটিজেনদের একাংশের দাবি, দিশার সঙ্গে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতার কারণেই নাকি মৌনী-সূরজের সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল।

যদিও এই অভিযোগের পক্ষে কোনও প্রমাণ সামনে আসেনি, তবু সোশ্যাল মিডিয়ায় দিশাকে ঘিরে শুরু হয়েছে কটাক্ষের ঝড়। কেউ লিখেছেন, “মৌনী-সূরজের মধ্যে সমস্যা তৈরি হওয়ার নেপথ্যে কি আপনিই?” আবার কেউ সরাসরি তাঁকে ‘ঘরভাঙানি’ বলেও আক্রমণ করেছেন। অনেকে আবার বিষয়টিকে নিছক কৌতূহল হিসেবেই দেখছেন এবং জানতে চাইছেন, সূরজকে আনফলো করার আসল কারণ কী।
অন্যদিকে, মৌনী রায় বিচ্ছেদের কথা স্বীকার করলেও জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে সূরজের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চান তিনি। অর্থাৎ, ব্যক্তিগত সম্পর্কে দূরত্ব এলেও তিক্ততার জায়গা তৈরি হয়নি বলেই ইঙ্গিত দিয়েছেন অভিনেত্রী।
তবে বাস্তবের সম্পর্কের জটিলতা যতই ব্যক্তিগত হোক না কেন, তার প্রভাব যে সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, এই ঘটনাই তার বড় উদাহরণ। বন্ধুত্ব, আনফলো আর সম্পর্ক ভাঙনের জল্পনায় এখন কার্যত চর্চার কেন্দ্রে দিশা পাটানি।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than five years.