বঙ্গ রাজনীতির নতুন অধ্যায়ে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক মহলের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বিনোদন জগতের একাধিক পরিচিত মুখও। তবে সবার নজর কেড়েছেন টলিউড সুপারস্টার জিৎ। দীর্ঘদিন ধরেই নিজেকে সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে রেখেছেন অভিনেতা। সেই কারণেই তাঁর উপস্থিতি ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক জল্পনা।
পঁচিশে বৈশাখের সকালে বাংলায় শপথবাক্য পাঠ করে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানে রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে বিজেপি সমর্থকদের ভিড় জমেছিল। রাজনৈতিক আবহের পাশাপাশি তারকাদের উপস্থিতিও ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
এই পরিস্থিতিতেই ব্রিগেডে দেখা যায় জিৎকে। সাদা পাঞ্জাবি ও রোদচশমায় অভিনেতার উপস্থিতি দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তাবেষ্টিত অবস্থায় অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করতে দেখা যায় তাঁকে। এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে—তবে কি এবার রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করলেন টলিউডের ‘বস’?
যদিও জিৎ কখনও প্রকাশ্যে কোনও রাজনৈতিক দলের প্রতি আনুগত্য দেখাননি। বরাবরই তিনি নিজেকে রাজনৈতিক বিতর্কের বাইরে রেখেছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে বাংলার রাজনৈতিক পরিবর্তনের আবহে তাঁর উপস্থিতিকে অনেকেই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন।
এর আগেও রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের সময়ে বিনোদন জগতের বহু পরিচিত মুখ সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে যোগ দিয়েছেন। অভিনেতা দেব, সোহম চক্রবর্তী থেকে শুরু করে রুদ্রনীল ঘোষ, রূপা গঙ্গোপাধ্যায় ও লকেট চট্টোপাধ্যায়ের মতো তারকারা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করেছেন। ফলে জিতের উপস্থিতিও নতুন করে কৌতূহল তৈরি করেছে রাজনৈতিক ও বিনোদন মহলে।
তবে অভিনেতার পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি। তাই তিনি শুধুই আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন, নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা—তা নিয়ে জল্পনা চলছেই।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than five years.