Jamuna Rani: প্রয়াত প্রবীণ গায়িকা যমুনা রানি, গেয়েছেন ৬ হাজারের বেশি গান—কীভাবে মৃত্যু হল শিল্পীর?

Jamuna Rani: প্রয়াত প্রবীণ প্লেব্যাক গায়িকা যমুনা রানি। বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরুতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রের এই জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি।

দক্ষিণ ভারতের চলচ্চিত্রসঙ্গীতের জগতে যমুনা রানি(Jamuna Rani)র অবদান ছিল দীর্ঘ এবং উল্লেখযোগ্য। তামিল, তেলুগু, কন্নড়, মালয়লম এবং সিংহলি—একাধিক ভাষার ছবিতে গান গেয়েছেন তিনি। কয়েক দশকের সঙ্গীতজীবনে তাঁর গাওয়া গানের সংখ্যা ৬ হাজারেরও বেশি।

মাত্র ৭ বছর বয়সে প্লেব্যাক

খুব অল্প বয়সেই সঙ্গীতজগতে পা রাখেন যমুনা রানি। মাত্র সাত বছর বয়সে তেলুগু ছবি ‘ত্যাগাইয়া’-তে প্রথম প্লেব্যাক করেন তিনি। এরপর ‘দেবদাস’ ছবিতে ‘ও দেবদাস’ গানে শিশুকণ্ঠ হিসেবে তাঁর গান শ্রোতাদের নজর কাড়ে।

সেই সময় প্লেব্যাক জগতে জিক্কি, পি লীলা এবং এম এল বসন্তকুমারীর মতো প্রতিষ্ঠিত শিল্পীদের দাপট ছিল। তাঁদের মধ্যেই নিজের স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর দিয়ে ধীরে ধীরে জায়গা করে নেন যমুনা রানি।

‘মডার্ন থিয়েটার্স’-এ যোগ, বদলে যায় কেরিয়ার

পরবর্তী সময়ে ‘মডার্ন থিয়েটার্স’-এ যোগ দেওয়ার পর তাঁর সঙ্গীতজীবন আরও গতি পায়। স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর, গানের ধরন অনুযায়ী নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা এবং বিভিন্ন ধরনের গান গাওয়ার দক্ষতা তাঁকে দ্রুত জনপ্রিয় করে তোলে।

তামিল থেকে তেলুগু, কন্নড় থেকে মালয়লম—বিভিন্ন ভাষার চলচ্চিত্রে সমান দক্ষতায় গান গেয়েছেন তিনি। একাধিক ভাষা ও সঙ্গীতধারার সঙ্গে সহজে মানিয়ে নিতে পারার কারণেই দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন চলচ্চিত্রজগতে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হন যমুনা রানি।

আজও জনপ্রিয় তাঁর বহু গান

পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে যমুনা রানি দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম পরিচিত প্লেব্যাক গায়িকা হয়ে ওঠেন। তাঁর গাওয়া বহু গান সময় পেরিয়েও শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয়।

তাঁর উল্লেখযোগ্য গানগুলির মধ্যে রয়েছে ‘সেন্তামিঝ থেন মোঝিয়াল’, ‘ইয়ারাদি নী মোহিনী’, ‘কুঙ্গুমাপুভে কঞ্জুম পুরাভে’ এবং ‘পাট্টোন্দ্রু কেট্টেন’। পরবর্তী সময়েও জনপ্রিয়তা ধরে রাখেন তিনি। কমল হাসন অভিনীত ‘নায়কান’ ছবিতে তাঁর গাওয়া ‘নান সিরিথাল দীপাবলি’ গানটিও শ্রোতাদের মনে জায়গা করে নেয়।

মঞ্চেও ছিল সমান জনপ্রিয়তা

শুধু চলচ্চিত্রের গান নয়, নিয়মিত মঞ্চানুষ্ঠানেও অংশ নিতেন যমুনা রানি। গায়ক মনোর সঙ্গে তাঁর একাধিক যুগল পরিবেশনা শ্রোতাদের মধ্যে বিশেষ জনপ্রিয় ছিল। তাঁদের পরিবেশনায় লোকসঙ্গীতের স্বতন্ত্র আবহ ফুটে উঠত বলে মনে করেন অনুরাগীরা।

বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় মৃত্যু

দীর্ঘ সঙ্গীতজীবনের পর জীবনের শেষ অধ্যায়ে বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় ভুগছিলেন যমুনা রানি। বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরুতে তাঁর মৃত্যু হয়। ৮৮ বছর বয়সে তাঁর প্রয়াণে দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র ও সঙ্গীতজগতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

ছয় হাজারেরও বেশি গান, একাধিক ভাষায় সাফল্য এবং কয়েক দশকের বর্ণময় সঙ্গীতজীবন—যমুনা রানি তাঁর কণ্ঠের মাধ্যমে দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রসঙ্গীতে যে অবদান রেখে গিয়েছেন, তা দীর্ঘদিন শ্রোতাদের স্মৃতিতে বেঁচে থাকবে।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক