জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে আরও কড়া নিয়ম, ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর সংশোধিত আইন

জন্ম ও মৃত্যুর নিবন্ধন সংক্রান্ত নিয়ম আরও কঠোর করতে চলেছে কেন্দ্র। বিলম্বিত জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের ক্ষেত্রে এবার থেকে বাড়তি প্রশাসনিক ও বিচার বিভাগীয় যাচাইয়ের মুখোমুখি হতে হবে আবেদনকারীদের। কেন্দ্রীয় সরকারের সংশোধিত আইন অনুযায়ী, আগামী ১ অক্টোবর, ২০২৬ থেকে নতুন বিধানগুলি কার্যকর হতে চলেছে।

১ অক্টোবর থেকে কার্যকর নতুন নিয়ম
ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল মৃত্যুঞ্জয় কুমার নারায়ণ একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, ‘জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’-এর বিধানগুলি আগামী ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে। সংসদের উভয় কক্ষে পাস হওয়ার পর রাষ্ট্রপতির সম্মতি পাওয়ায় বিলটি ইতিমধ্যেই আইনে পরিণত হয়েছে। নতুন সংশোধনের মূল লক্ষ্য হল বিলম্বিত জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের প্রক্রিয়াকে আরও কঠোর করা এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জন্ম-মৃত্যুর তথ্য নথিভুক্ত করার বিষয়ে নাগরিকদের উৎসাহিত করা।

এক বছর পরেই লাগবে ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি
নতুন নিয়মে জন্ম বা মৃত্যুর এক বছর পর কিন্তু দুই বছরের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা হলে সংশ্লিষ্ট জেলা শাসক (DM), মহকুমা শাসক (SDM) অথবা তাঁদের অনুমোদিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ প্রয়োজন হবে। শুধু অনুমতিই নয়, নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু করার আগে সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে ওই জন্ম বা মৃত্যুর ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে হবে। নির্ধারিত ফি জমা দেওয়ার পরেই পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু হবে।

দুই বছর পেরোলেই বিচার বিভাগীয় হস্তক্ষেপ
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে দুই বছরের বেশি সময় পরে জন্ম বা মৃত্যুর নিবন্ধনের ক্ষেত্রে। নতুন আইনে এই ধরনের আবেদনের জন্য বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (প্রথম শ্রেণি)-এর আদেশ প্রয়োজন হবে। অর্থাৎ, জন্ম বা মৃত্যুর ঘটনা দীর্ঘ সময় পর নথিভুক্ত করতে গেলে আগের তুলনায় আরও বেশি যাচাই-বাছাই এবং আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে।

কী উদ্দেশ্যে এই পরিবর্তন?
‘জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ১৯৬৯’-এর ১৩(৩) ধারায় সংশোধন আনা হয়েছে। সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, জন্ম ও মৃত্যুর মতো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা সময়মতো নথিভুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে নাগরিকদের সচেতন করাই এই পরিবর্তনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

উল্লেখ্য, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ১৯৬৯-এর আওতায় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। এই আইনের অধীনে দেওয়া জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্র কোনও ব্যক্তির জন্ম বা মৃত্যুর আইনি প্রমাণ হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৩ সালেও এই আইনে সংশোধন আনা হয়েছিল, যার বিধান ওই বছরের ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়।

নতুন সংশোধনের ফলে এবার থেকে বিলম্বিত জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক এবং বিচার বিভাগীয় নজরদারি আরও বাড়তে চলেছে।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক