Vastu: বাড়ির এই দিকে বাথরুম করলেই ডুববেন! বাস্তুর নিয়ম জানেন তো?

Vastu: মাসের শুরুতে হাতে টাকা আসে, অথচ মাস শেষ হওয়ার আগেই প্রায় সবটাই খরচ হয়ে যায়? সংসারের প্রয়োজনীয় খরচের পাশাপাশি একের পর এক অপ্রত্যাশিত ব্যয় এসে বাজেটও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে? বাস্তুবিশ্বাস অনুযায়ী, এর সঙ্গে বাড়ির দক্ষিণ-পূর্ব দিকের সম্পর্ক থাকতে পারে।
বাস্তুশাস্ত্রে বাড়ির দক্ষিণ-পূর্ব দিককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। এই দিকটি অগ্নি তত্ত্বের সঙ্গে যুক্ত। তাই এই অংশে কী রাখা হচ্ছে, জায়গাটি কতটা পরিষ্কার এবং কোন রং ব্যবহার করা হচ্ছে—এসবের দিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দেন বাস্তু বিশেষজ্ঞদের একাংশ।
তাঁদের মতে, দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাস্তুদোষ থাকলে সংসারে অর্থনৈতিক ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। আয় ঠিকঠাক থাকলেও অপ্রয়োজনীয় খরচ বাড়তে পারে এবং মাসের শেষে সঞ্চয়ের পরিমাণ কমে যেতে পারে।
তবে মনে রাখা জরুরি, এগুলি বাস্তুসংক্রান্ত বিশ্বাস। এর কোনও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। বাস্তবে আর্থিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে আয়, ব্যয়ের ধরন, ঋণ এবং সঞ্চয়ের পরিকল্পনাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

দক্ষিণ-পূর্ব দিকে রান্নাঘর থাকলে কী হয়?

বাস্তু মতে, দক্ষিণ-পূর্ব দিক অগ্নি তত্ত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই এই অংশে রান্নাঘর থাকা শুভ বলে মনে করা হয়।
বাস্তুবিশ্বাস অনুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও গোছানো রান্নাঘর থাকলে সংসারের দৈনন্দিন খরচে ভারসাম্য বজায় থাকতে পারে। রান্নাঘরে অপ্রয়োজনীয় জিনিস জমিয়ে না রাখারও পরামর্শ দেওয়া হয়।
শুধু রান্নাঘর নয়, বাড়ির দক্ষিণ-পূর্ব অংশটিও পরিষ্কার এবং সুশৃঙ্খল রাখা উচিত বলে মনে করেন বাস্তু বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

দক্ষিণ-পূর্ব দিকে শৌচাগার কি রাখা উচিত?

বাস্তু মতে, দক্ষিণ-পূর্ব দিকে শৌচাগার বা বাথরুম থাকা এড়িয়ে চলা উচিত। এই অবস্থানকে অনেক বাস্তু বিশেষজ্ঞ বাস্তুদোষের সঙ্গে যুক্ত করেন।
বিশ্বাস অনুযায়ী, এমন অবস্থান থাকলে অপ্রয়োজনীয় খরচ বাড়তে পারে এবং কোথায় টাকা খরচ করা প্রয়োজন, কোথায় খরচ কমানো উচিত—সেই সিদ্ধান্তে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
এ ছাড়াও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে গর্ত বা নিচু জায়গা না রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। এই অংশে জল জমে থাকা কিংবা জলতত্ত্বের সঙ্গে যুক্ত কোনও উপাদান রাখাকেও বাস্তু মতে অনুকূল বলে মনে করা হয় না।

দক্ষিণ-পূর্ব দিকে কোন রং ব্যবহার করবেন?

বাস্তু মতে, দক্ষিণ-পূর্ব দিকের জন্য সবুজ ও গোলাপি রংকে শুভ বলে মনে করা হয়। অন্য দিকে, এই অংশে কালো ও নীল রং ব্যবহার না করার পরামর্শ দেন কিছু বাস্তু বিশেষজ্ঞ।
দুধসাদা রং নিয়েও অনেকে সতর্ক থাকার কথা বলেন। আবার দক্ষিণ-পূর্ব দিক অগ্নি তত্ত্বের সঙ্গে যুক্ত হলেও অতিরিক্ত লাল রং ব্যবহার করাও বাস্তু মতে অনুকূল নয়।
তবে শুধুমাত্র রং পরিবর্তন করলেই বাস্তুদোষ দূর হয়ে যাবে—এমন কোনও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। বরং এই অংশটি পরিষ্কার, আলো-বাতাসযুক্ত এবং গোছানো রাখার উপরেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

দক্ষিণ-পূর্ব দিক কীভাবে রাখবেন?

বাড়ির দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র জমিয়ে না রাখাই ভাল। সেখানে রান্নাঘর থাকলে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন। কোথাও জল জমে থাকছে কি না, সেটিও খেয়াল করুন।
বাস্তুবিশ্বাস অনুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্ব দিক সঠিকভাবে রাখা হলে সংসারের আর্থিক জীবনে ভারসাম্য বজায় থাকতে পারে। তাই আয় থাকা সত্ত্বেও যদি মাসের শেষে টাকা হাতে না থাকে, তা হলে বাড়ির এই অংশটি একবার খতিয়ে দেখতে পারেন।

Vastu: মেঝেতে বসে নাকি ডাইনিং টেবিলে? কোথায় বসে খাওয়া বাস্তুমতে শুভ?

তবে আর্থিক সমস্যার সমাধানে শুধু বাস্তু-নির্ভর না হয়ে আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখা সবচেয়ে জরুরি। অপ্রয়োজনীয় খরচ কমানো, বাজেট তৈরি করা এবং নিয়মিত সঞ্চয়ের অভ্যাসই আর্থিক স্থিতিশীলতা ফেরানোর বাস্তবসম্মত উপায়।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক