কাতলা মাছ মানেই কালিয়া বা পাতলা ঝোল— এমন ধারণা অনেকেরই। তবে একই মাছ দিয়ে সম্পূর্ণ অন্য স্বাদের একটি পদও তৈরি করা যায়। বর্ষার দিনে গরম ভাতের সঙ্গে ঝাল, মাখা মাখা কাতলা মাছের চচ্চড়ি খেতে দারুণ লাগে। অল্প কিছু উপকরণ আর সহজ পদ্ধতিতেই তৈরি হয়ে যাবে এই সুস্বাদু বাঙালি পদ।
উপকরণ
*কাতলা মাছ – ৬-৭টি ছোট টুকরো
*মাছের তেল – ৫০ গ্রাম
*সর্ষের তেল – ২ টেবিলচামচ
*মাঝারি পেঁয়াজ – ৩টি
*রসুন – ১০ কোয়া
*হলুদগুঁড়ো – আধ চা-চামচ
*লঙ্কাগুঁড়ো – দেড় চা-চামচ
*জিরেগুঁড়ো – ১ চা-চামচ
*কাঁচালঙ্কা – ৫টি
*ধনেপাতাকুচি – ১ টেবিলচামচ
*নুন – স্বাদমতো
প্রস্তুত প্রণালী
প্রথমে পেঁয়াজ ও রসুন একসঙ্গে মিক্সারে মোটা করে বেটে নিন। খুব মিহি পেস্ট করবেন না, সামান্য দানাদার থাকলে চচ্চড়ির স্বাদ ও গঠন আরও ভালো হবে।
এরপর মাছ ও মাছের তেল ভালো করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন। একটি কড়াইয়ে মাছ, মাছের তেল, বাটা পেঁয়াজ-রসুন, নুন, হলুদগুঁড়ো, লঙ্কাগুঁড়ো, জিরেগুঁড়ো এবং সর্ষের তেল একসঙ্গে দিয়ে হাত দিয়ে ভালোভাবে মেখে নিন, যাতে প্রতিটি মাছের টুকরোয় মশলা সমানভাবে লেগে যায়।
এ বার মাঝারি আঁচে রান্না শুরু করুন। প্রায় ৫ মিনিট সাবধানে নাড়াচাড়া করে মাছ ও মশলা কষিয়ে নিন। খেয়াল রাখবেন, বেশি জোরে নাড়লে মাছ ভেঙে যেতে পারে।
এরপর অল্প জল দিন। ঝোল যেন বেশি না হয়, বরং ধীরে ধীরে মাখা মাখা ঘন ভাব আসে। ঢেকে কয়েক মিনিট রান্না করুন।
মাছ প্রায় সেদ্ধ হয়ে এলে চেরা কাঁচালঙ্কা ও ধনেপাতাকুচি ছড়িয়ে আবার ২-৩ মিনিট ঢেকে রাখুন। এরপর আঁচ বন্ধ করে কিছুক্ষণ দমে রাখুন।
ঢাকনা খুললেই ভেসে আসবে কাতলা মাছের চচ্চড়ির মনভোলানো সুবাস। গরম ভাতের সঙ্গে মেখে পরিবেশন করুন এই সুস্বাদু, ঝাল ও মাখা মাখা বাঙালি পদ।
Sumi has been waiting lifestyle, vastu Tips since 2026.