Vastu: শ্রাবণ মাস হিন্দু ধর্মে মহাদেবের আরাধনার অন্যতম পবিত্র সময়। এই মাসে ভক্তরা শিবের কৃপা লাভের আশায় নানা ধরনের পূজা ও আচার পালন করেন। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, শিবের প্রিয় প্রতীক ত্রিশূল ও ডমরু সঠিক নিয়মে ঘরে প্রতিষ্ঠা করলে ইতিবাচক শক্তির প্রবাহ বৃদ্ধি পায় এবং গৃহে শান্তি ও সমৃদ্ধির পরিবেশ তৈরি হয়।
ডমরু ও ত্রিশূল রাখার সেরা দিক
বাস্তুবিদদের মতে, ডমরু ও ত্রিশূল রাখার জন্য সবচেয়ে শুভ স্থান হল উত্তর-পূর্ব দিক বা ঈশান কোণ। এই দিককে অত্যন্ত পবিত্র বলে মনে করা হয়। যদি ঈশান কোণে জায়গা না থাকে, তাহলে পূর্ব দিকেও এগুলি রাখা যেতে পারে। এতে ঘরের ইতিবাচক শক্তি বৃদ্ধি পায় বলে বিশ্বাস করা হয়।
কোথায় রাখলে শুভ ফল মিলতে পারে?
সবচেয়ে ভালো হয় যদি ঠাকুরঘরে শিবলিঙ্গ বা মহাদেবের মূর্তির পাশে ডমরু ও ত্রিশূল রাখা যায়। এছাড়া ছোট আকারের ডমরু বা ত্রিশূলের প্রতিকৃতি, ছবি কিংবা যন্ত্র ঘরের মূল দরজার উপরের অংশে ঝুলিয়েও রাখা যেতে পারে। বাস্তুমতে, এতে নেতিবাচক শক্তি ও কুদৃষ্টির প্রভাব কমে।
কোন নিয়মগুলি মেনে চলবেন?
*ডমরু ও ত্রিশূল যেখানে রাখা হবে, সেই স্থান সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন।
*নিয়মিত স্থানটি পরিষ্কার করে গঙ্গাজল ছিটিয়ে পবিত্র রাখার প্রচলন রয়েছে।
*ত্রিশূল কেনার সময় তামা বা রূপোর তৈরি ত্রিশূলকে বেশি শুভ মনে করা হয়। লোহার ত্রিশূল ব্যবহার না করার পরামর্শ দেন অনেক বাস্তুবিশারদ।
*প্রতিদিনের পূজার সময় ত্রিশূলে তিলক পরানো যেতে পারে।
*পূজা ও আরতির পর ডমরু বাজানোর রীতি রয়েছে। বিশ্বাস করা হয়, এর ধ্বনি পরিবেশকে পবিত্র ও ইতিবাচক করে তোলে।
বাস্তু মতে কী কী উপকার পাওয়া যেতে পারে?
বাস্তুশাস্ত্রের প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, সঠিক নিয়মে ডমরু ও ত্রিশূল স্থাপন করলে গৃহের বাস্তুদোষ ও নেতিবাচক শক্তির প্রভাব কমতে পারে। পাশাপাশি পরিবারে শান্তি, সৌহার্দ্য ও ইতিবাচক পরিবেশ বজায় থাকে। অনেকের বিশ্বাস, এতে আর্থিক বাধা দূর হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয় এবং আটকে থাকা কাজ বা অর্থ ফেরার পথও সুগম হতে পারে।
Vastu: দাম্পত্যে অশান্তি? বাস্তু মেনে এই ৫ গাছ বাড়িতে রাখলেই শক্তিশালী হবে শুক্র, বাড়বে সুখ-সমৃদ্ধি
বিঃদ্রঃ উপরের তথ্যগুলি বাস্তুশাস্ত্র ও প্রচলিত ধর্মীয় বিশ্বাসের ভিত্তিতে উপস্থাপিত। এগুলির বৈজ্ঞানিক প্রমাণ প্রতিষ্ঠিত নয়।
Sumi has been waiting lifestyle, vastu Tips since 2026.