Vastu: পুজো-অর্চনায় কর্পূরের ব্যবহার বহু দিনের। কর্পূর জ্বালালে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে সুগন্ধ। শাস্ত্রীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে আরও নানা উপকারিতা। নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে কর্পূর জ্বালালে বাড়ির নেতিবাচক পরিবেশ দূর হওয়ার পাশাপাশি রাহু-কেতুর অশুভ প্রভাবও কমতে পারে বলে মনে করা হয়।
তবে কর্পূর পোড়ানোর ক্ষেত্রেও রয়েছে কিছু বিশেষ নিয়ম। শাস্ত্রীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, কোন দিনে কীসের সঙ্গে কর্পূর জ্বালানো হচ্ছে এবং সেই ধোঁয়া কী ভাবে ছড়ানো হচ্ছে, তার উপরেও ফলাফল নির্ভর করে। জেনে নিন কর্পূর ব্যবহারের কয়েকটি প্রচলিত উপায়।
নেতিবাচক শক্তি দূর করতে কর্পূর
বাড়ির পরিবেশে নেতিবাচকতা রয়েছে বলে মনে হলে শনিবার সন্ধ্যায় ঘিয়ের সঙ্গে কর্পূর জ্বালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। সেই ধোঁয়া বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দিতে বলা হয়। শাস্ত্রীয় বিশ্বাস, এর ফলে বাড়ির নেতিবাচক শক্তি দূর হয়ে পরিবেশে ইতিবাচকতা তৈরি হতে পারে।
কর্পূরের সঙ্গে লবঙ্গ
বাড়ির পরিবেশ অস্বস্তিকর লাগলে কর্পূরের সঙ্গে লবঙ্গ জ্বালানোর প্রচলন রয়েছে। শাস্ত্রীয় মতে, এই উপায় বাড়ির পরিবেশকে ইতিবাচক করতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে আয়ের পথে থাকা বাধা দূর করার ক্ষেত্রেও এই প্রতিকার কার্যকর বলে বিশ্বাস করা হয়।
রাহু-কেতুর প্রভাব কমাতে
জ্যোতিষশাস্ত্রে রাহু ও কেতুকে ছায়াগ্রহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাঁদের অশুভ প্রভাব থেকে মুক্তি পেতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কর্পূরের সঙ্গে তেজপাতা জ্বালানোর একটি প্রচলিত প্রতিকার রয়েছে। সেই ধোঁয়া বাড়ির প্রতিটি কোণায় ছড়িয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়। শাস্ত্রীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এর ফলে রাহু-কেতুর নেতিবাচক প্রভাব কমতে পারে এবং জীবনে শুভ ফল আসতে পারে।
Vastu: ভোরবেলা বাড়ির কর্তাকে করতে হবে এই দুই কাজ, অশুভ শক্তি কাছে ঘেঁষতে পারবে না
কর্পূর ব্যবহারে সতর্কতা
কর্পূর জ্বালানোর সময় অবশ্যই আগুনের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। শিশু, পোষ্য এবং দাহ্য বস্তু থেকে দূরে রেখে কর্পূর জ্বালানো উচিত। ঘরে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থাও রাখা জরুরি।
উল্লেখ্য, এগুলি প্রচলিত শাস্ত্রীয় বিশ্বাস ও জ্যোতিষীয় প্রতিকার। এর বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।
Sumi has been waiting lifestyle, vastu Tips since 2026.