বলিউডের ইতিহাসে এমন অনেক মুহূর্ত রয়েছে যা সময় পেরিয়েও দর্শকের মনে অমলিন হয়ে থাকে। সেই তালিকায় নিঃসন্দেহে জায়গা করে নিয়েছে Om Shanti Om ছবির সেই বিখ্যাত সংলাপ— “ইতনি শিদ্দত সে ম্যায়নে তুঝে পানে কি কোশিশ কি হ্যায়…”। মুক্তির প্রায় ১৭ বছর পরেও এই সংলাপের জনপ্রিয়তা এতটুকু কমেনি—বরং এবার তা পৌঁছে গেল বিশ্ব সিনেমার অন্যতম সম্মানজনক মঞ্চে।
সম্প্রতি Academy of Motion Picture Arts and Sciences বা ‘দ্য অ্যাকাডেমি’ তাদের অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্মে ছবিটির এই আইকনিক সংলাপটি শেয়ার করে। আর সেই মুহূর্তেই যেন নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে ছবিটি ও তার নায়ক Shah Rukh Khan।
এই বিশেষ স্বীকৃতিতে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন শাহরুখ। নিজের স্বভাবসিদ্ধ রসবোধে তিনি প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, এখন নিজেকে যেন “বিশ্বের রাজা” বলে মনে হচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য মুহূর্তের মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় এবং অনুরাগীদের মধ্যে তৈরি হয় উচ্ছ্বাসের ঢেউ।
অস্কারের মতো আন্তর্জাতিক মঞ্চে কোনও ভারতীয় ছবির সংলাপ তুলে ধরা নিঃসন্দেহে বড় সম্মানের বিষয়। তাই শুধু অভিনেতা নয়, এই সাফল্যে গর্বিত ছবির পরিচালক Farah Khan-ও। তিনি সমাজমাধ্যমে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে লেখেন, আন্তর্জাতিক স্তরে তাঁর কাজকে সম্মান জানানোয় তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। পাশাপাশি তিনি ছবির আরেক জনপ্রিয় সংলাপ— “পিকচার আভি বাকি হ্যায় মেরে দোস্ত”—উদ্ধৃত করে তাঁর অনুভূতি প্রকাশ করেন।

অ্যাকাডেমির পোস্টে সংলাপটির সঙ্গে একটি অর্থবহ ক্যাপশনও যুক্ত করা হয়, যেখানে ভাগ্যের অদ্ভুত ভূমিকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই উপস্থাপনা শুধু একটি সংলাপ নয়, বরং ভারতীয় সিনেমার আবেগ, নাটকীয়তা এবং গল্প বলার শক্তিকেও তুলে ধরেছে।
এই ঘটনার পর থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে শাহরুখ খান ও তাঁর চলচ্চিত্র নিয়ে। ভক্তদের মতে, এটি শুধু একজন অভিনেতার সাফল্য নয়, বরং গোটা ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য গর্বের মুহূর্ত।
সব মিলিয়ে বলা যায়, বছরের পর বছর পেরিয়ে গেলেও ভালো গল্প, স্মরণীয় সংলাপ এবং শক্তিশালী অভিনয় কখনও পুরনো হয় না। আর সেই সত্যকেই যেন আবার প্রমাণ করল ‘ওম শান্তি ওম’-এর এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

Hello friends, Myself Biplab. I have been writing horoscopes since 2019. Since 2022, I have also been writing about entertainment, lifestyle, and trending news.