Skin Care: আচমকা ব্যথাযুক্ত ব্রণ? রাতে কী করলে কমতে পারে ফোলাভাব ও অস্বস্তি

Skin Care: মুখে আচমকা একটি বড়, লাল ও ব্যথাযুক্ত ব্রণ উঠলে অস্বস্তি হওয়াই স্বাভাবিক। বিশেষ করে পরের দিন কোনও অনুষ্ঠান বা গুরুত্বপূর্ণ কাজ থাকলে এই সমস্যা আরও বিরক্তিকর মনে হয়। তবে ব্রণ রাতারাতি পুরোপুরি সারিয়ে ফেলার কোনও নিশ্চিত ঘরোয়া উপায় নেই। বরং ব্রণ চেপে ফাটানো থেকে বিরত থাকাই সবচেয়ে জরুরি। এতে প্রদাহ বাড়ার পাশাপাশি দাগ ও সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।

মধু-চন্দন কি কাজে লাগতে পারে?

মধুতে প্রাকৃতিক অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও প্রদাহনাশক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। অন্যদিকে চন্দন ত্বকে শীতল অনুভূতি দিতে পারে। তাই কিছু ক্ষেত্রে মধু ও চন্দনের প্যাক ব্রণের আশপাশের অস্বস্তি ও লালচে ভাব কিছুটা প্রশমিত করতে সাহায্য করতে পারে। তবে এটি ব্রণের চিকিৎসার বিকল্প নয় এবং সবার ত্বকে একইভাবে কাজ নাও করতে পারে।

কী ভাবে ব্যবহার করবেন?

এক চামচ চন্দন গুঁড়োর সঙ্গে অল্প মধু এবং প্রয়োজনমতো গোলাপজল মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করতে পারেন। প্রথমে ত্বকের ছোট অংশে প্যাকটি লাগিয়ে পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো। কোনও জ্বালা বা অ্যালার্জির লক্ষণ না থাকলে ব্রণের উপর অল্প পরিমাণে লাগানো যেতে পারে।
ত্বকে জ্বালা, চুলকানি বা লালচে ভাব বেড়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে ধুয়ে ফেলুন। খোলা ক্ষত বা চেপে ফাটানো ব্রণের উপর কোনও প্যাক ব্যবহার না করাই ভালো।

ব্যথা ও ফোলাভাব কমাতে আরও যা করতে পারেন

বরফের সেঁক: পরিষ্কার পাতলা কাপড়ে বরফ জড়িয়ে কয়েক মিনিট আলতো করে ব্রণের উপর রাখতে পারেন। সরাসরি ত্বকে বরফ লাগাবেন না। এতে সাময়িকভাবে ব্যথা ও ফোলাভাব কমতে পারে।

অ্যালোভেরা জেল: সুগন্ধি বা অতিরিক্ত উপাদানহীন অ্যালোভেরা জেল ত্বকে ঠান্ডা অনুভূতি দিতে এবং জ্বালাভাব প্রশমিত করতে সাহায্য করতে পারে।

টি ট্রি অয়েল: ব্রণের ক্ষেত্রে টি ট্রি অয়েল ব্যবহারের কিছু প্রমাণ রয়েছে। তবে এটি সরাসরি মুখে লাগানো উচিত নয়। ভুলভাবে বা অতিরিক্ত ব্যবহার করলে ত্বকে জ্বালা হতে পারে। সংবেদনশীল ত্বকে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

গ্রিন টি: ঠান্ডা গ্রিন টি ত্বকে অল্প সময়ের জন্য ব্যবহার করলে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে প্রদাহ ও অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে এটিকেও ব্রণের নিশ্চিত চিকিৎসা হিসেবে ধরা যায় না।

যে ভুলটি একেবারেই করবেন না
ব্যথাযুক্ত ব্রণ দেখলেই বারবার হাত দিয়ে চাপ দেওয়া বা ফাটানোর চেষ্টা করবেন না। এতে প্রদাহ আরও বাড়তে পারে এবং পরে ব্রণের দাগ বা কালচে ছোপ হওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়। মুখ পরিষ্কার রাখুন এবং ব্রণে অযথা হাত দেওয়া এড়িয়ে চলুন।

Hair Care: বর্ষায় চুলের সমস্যায় জেরবার! আর্দ্রতা, বৃষ্টির জল, ঘাম থেকে কেশ বাঁচাতে কী করবেন

যদি বারবার বড় ও গভীর ব্যথাযুক্ত ব্রণ হয়, ব্রণ থেকে দাগ তৈরি হতে থাকে বা কয়েক সপ্তাহেও সমস্যা না কমে, তাহলে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ। রাতারাতি ব্রণ সম্পূর্ণ দূর করার চেয়ে প্রদাহ ও জ্বালা নিয়ন্ত্রণ করাই বাস্তবসম্মত লক্ষ্য।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক