শনিদেবের মহাগোচর ২০২৭: সাড়েসাতি থেকে কাদের মুক্তি? জানুন রাশিফল

জ্যোতিষশাস্ত্রে শনিদেবকে কর্মফলদাতা গ্রহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। শনির রাশি পরিবর্তন তাই জ্যোতিষের দৃষ্টিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। ২০২৭ সালে শনির মহাগোচরের প্রভাব পড়তে চলেছে বেশ কয়েকটি রাশির উপর। বিশেষ করে ৩ জুন ২০২৭ শনির মেষ রাশিতে প্রবেশের পর সাড়েসাতির পর্যায়েও বড় পরিবর্তন হবে।
জ্যোতিষীয় গণনা অনুযায়ী, শনির এই গোচরের সঙ্গে কুম্ভ রাশির জাতকদের সাড়েসাতি সম্পূর্ণ শেষ হবে। অন্যদিকে বৃষ রাশিতে সাড়েসাতির প্রথম পর্ব শুরু হবে এবং মেষ রাশিতে দ্বিতীয় পর্ব চলবে। মীন রাশিতে থাকবে সাড়েসাতির শেষ পর্যায়।

কুম্ভ রাশির সাড়েসাতি শেষ

কুম্ভ রাশি
কুম্ভ রাশি

৩ জুন ২০২৭ শনির মেষ রাশিতে প্রবেশের সঙ্গে কুম্ভ রাশির জাতকদের দীর্ঘ সাড়েসাতির অবসান ঘটবে বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে মনে করা হয়। প্রায় সাড়ে সাত বছর ধরে চলা এই পর্যায়ের পর জীবনে ধীরে ধীরে স্বস্তি ফিরতে পারে।
সাড়েসাতি শেষ হওয়ার পর আটকে থাকা কাজ এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ, কর্মক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা এবং আর্থিক পরিস্থিতিতে উন্নতির ইঙ্গিত মিলতে পারে। পদোন্নতি, পছন্দের চাকরি কিংবা বেতন বৃদ্ধির অপেক্ষায় থাকা ব্যক্তিরা অনুকূল ফল পেতে পারেন বলে জ্যোতিষীয় মত।
আটকে থাকা অর্থ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। আয়ের নতুন পথও খুলতে পারে। পাশাপাশি পুরনো ঋণ পরিশোধের সুযোগ আসতে পারে। দীর্ঘদিনের পারিবারিক অশান্তি ধীরে ধীরে কমে মানসিক স্বস্তি ফিরতে পারে।

বৃষ রাশিতে শুরু হবে সাড়েসাতি
বৃষ রাশি
৩ জুন ২০২৭ থেকে মেষ রাশিতে শনির প্রবেশের সঙ্গে বৃষ রাশির সাড়েসাতির প্রথম পর্যায় শুরু হবে বলে জ্যোতিষীয় গণনায় ধরা হয়।
এই সময় বৃষ রাশির জাতকদের ধৈর্য ধরে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। তাড়াহুড়ো করে কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়া এবং ঝুঁকিপূর্ণ কাজের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্ক থাকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।
বিশেষ করে গাড়ি চালানোর সময় সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। কাউকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করা, মিথ্যা বলা, অন্যকে অপমান করা বা প্রতারণার মতো কাজ থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।

মীন রাশিতে সাড়েসাতির শেষ পর্যায়

মীন রাশির জাতকদের ক্ষেত্রে ৩ জুন ২০২৭ পর্যন্ত সাড়েসাতির শেষ পর্যায় চলবে। জ্যোতিষশাস্ত্রে সাড়েসাতির এই পর্যায়কে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।
এই সময়ে কর্মক্ষেত্রে বাধা, ব্যবসায় ওঠানামা কিংবা চলমান কাজে বিলম্ব দেখা দিতে পারে বলে জ্যোতিষীয় মত। পারিবারিক ক্ষেত্রে অশান্তি অথবা আর্থিক চাপও তৈরি হতে পারে।
তাই এই সময়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা এবং কোনও বিষয়ে তাড়াহুড়ো না করাই ভালো বলে মনে করা হয়। কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রেও সংযত আচরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

শনির সাড়েসাতিতে কী প্রতিকার করবেন?
জ্যোতিষশাস্ত্রে শনির প্রতিকারের জন্য বিভিন্ন উপায়ের কথা বলা হয়েছে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যায় অশ্বত্থ গাছের নিচে সর্ষের তেলের প্রদীপ জ্বালিয়ে প্রদক্ষিণ করা যেতে পারে।
এর পাশাপাশি “ওঁ শং শনৈশ্চরায় নমঃ” মন্ত্র ১০৮ বার জপ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
শনির সঙ্গে সম্পর্কিত সামগ্রী দান করার প্রথাও রয়েছে। অভাবী মানুষকে কালো তিল, কালো পোশাক, বিউলির ডাল, ছাতা কিংবা লোহার সামগ্রী দান করা যেতে পারে বলে প্রচলিত বিশ্বাস।

তবে মনে রাখা প্রয়োজন, সাড়েসাতি ও এর প্রতিকার জ্যোতিষশাস্ত্রের বিশ্বাস ও ব্যাখ্যার অংশ; এগুলির বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক