মহেশতলার নামী স্কুলে আহত শ্রাবন্তীর বোনপো! নিরাপত্তা নিয়ে সরব পরিবার

নামী বেসরকারি স্কুলে সন্তানকে পড়ানোর প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। কিন্তু মোটা টাকা খরচ করে পড়াশোনার পাশাপাশি স্কুলে শিশুর নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এবার এমনই এক ঘটনায় সরব হলেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের দিদি স্মিতা ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, মহেশতলার একটি নামী স্কুলে পড়াকালীন তাঁর প্রাক-প্রাথমিকের পড়ুয়া ছেলে অন্য এক পড়ুয়ার আঘাতে চোখে গুরুতর চোট পেয়েছে। আরও অভিযোগ, ঘটনার কথা প্রথমে অভিভাবকদের জানানো হয়নি এবং বিষয়টি আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছে।

স্মিতা ঘোষ পডকাস্টার হিসেবে পরিচিত। অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের দিদি হিসেবেও তিনি পরিচিত। সম্প্রতি নিজের সমাজমাধ্যমে সন্তানের আহত অবস্থার ছবি এবং চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনের ছবি প্রকাশ করে ঘটনার কথা জানান তিনি। তাঁর দাবি, স্কুলে পড়াকালীন অন্য এক পড়ুয়ার আঘাতে তাঁর অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের চোখে গুরুতর চোট লাগে।

স্মিতার অভিযোগ, ঘটনার পরপরই তাঁদের বিষয়টি জানানো হয়নি। পরবর্তীতে তাঁরা জানতে পারেন, বাবা-মাকে ঘটনা সম্পর্কে না জানানোর জন্য প্রভাবিত করা হয়েছিল। এমনকী, তাঁর ছেলেকে নিজের জন্যই আঘাত লেগেছে—এমন একটি গল্প বলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। স্মিতার বক্তব্য, এই তথ্য সত্যি প্রমাণিত হলে তা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। কারণ শিশুর নিরাপত্তার পাশাপাশি অভিভাবকদের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার বিষয়েও কোনও আপস করা যায় না।

ঘটনার প্রকৃত সত্য জানতে স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ দেখানোর অনুরোধ করা হয়েছিল বলেও জানিয়েছেন স্মিতা। তাঁর অভিযোগ, স্কুলের তরফে প্রত্যাশিত সহযোগিতা ও স্বচ্ছতা পাওয়া যায়নি। বরং তাঁদের উদ্বেগকে যথাযথ গুরুত্ব না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে মনে হয়েছে।

স্মিতার দাবি, অভিভাবকেরা বিশ্বাসের জায়গা থেকেই সন্তানকে স্কুলে পাঠান। তাই কোনও দুর্ঘটনা বা আঘাতের ঘটনা ঘটলে দ্রুত অভিভাবকদের জানানো, সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ এবং ঘটনার তদন্তে স্বচ্ছ ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন করা স্কুল কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। তিনি কোনও বিশেষ সুবিধা বা পক্ষপাতিত্ব চান না, বরং ঘটনার সঠিক জবাব, স্বচ্ছতা এবং শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

বোনের এই পোস্ট নিজের সমাজমাধ্যমে শেয়ার করে সরব হয়েছেন শ্রাবন্তীও। অভিভাবকদের সতর্ক করে অভিনেত্রী দাবি করেছেন, মহেশতলার ওই শাখায় সন্তানের ভর্তি করানোর আগে যেন তাঁরা বিষয়টি ভেবে দেখেন। স্কুলের ব্যবস্থাপনা এবং শিশুসুরক্ষা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।

তবে এই ঘটনায় স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য বা অভিযোগগুলির স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য প্রকাশ্যে না আসা পর্যন্ত বিষয়টিকে অভিযোগ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এখন মূল প্রশ্ন, ঠিক কী ঘটেছিল স্কুলে? অভিভাবকদের কেন সঙ্গে সঙ্গে জানানো হয়নি এবং সিসিটিভি ফুটেজ নিয়ে কেন তৈরি হয়েছে জটিলতা—তার উত্তরই খুঁজছেন শিশুটির পরিবার।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক