Recipe: গ্রীষ্ম থেকে বর্ষা—লাউ, ঝিঙে, পটল তো রোজকার রান্নায় থাকেই। তবে একঘেয়ে খাবারে যদি একটু ঝাল-মশলার চমক আনতে চান, তা হলে বানিয়ে ফেলতে পারেন গাঠিকচুর কষা দম। কষা মশলার সঙ্গে কচুর মাখা মাখা স্বাদ গরম ভাতের সঙ্গে দারুণ জমে যায়। আবার চাইলে পরোটার সঙ্গেও পরিবেশন করতে পারেন এই পদ।
সবচেয়ে ভাল বিষয় হল, কচু আগে সেদ্ধ করে নেওয়া থাকায় রান্নার সময়ও বেশি লাগে না। সর্ষের তেল, জিরে, হিং, জোয়ান এবং কয়েকটি মশলার গন্ধে তৈরি এই পদটি বর্ষার দুপুরের জন্য হতে পারে একেবারে জমজমাট।
কচুর কষা দম বানাতে যা লাগবে
*গাঠিকচু — ৫০০ গ্রাম
*সর্ষের তেল — ২ টেবিলচামচ
*গোটা জিরে — ১ চা-চামচ
*হিং — এক চিমটে
*জোয়ান — এক চিমটে
*হলুদগুঁড়ো — আধ চা-চামচ
*ধনেগুঁড়ো — ১ চা-চামচ
*জিরেগুঁড়ো — আধ চা-চামচ
*শুকনোলঙ্কা গুঁড়ো — আধ চা-চামচ
*আমচুর — আধ চা-চামচ
*গরমমশলাগুঁড়ো — আধ চা-চামচ
*কাঁচালঙ্কা — ৩টি
*কুচোনো ধনেপাতা — ২ টেবিলচামচ
*লেবুর রস — ১ টেবিলচামচ
*নুন — স্বাদমতো
কী ভাবে বানাবেন কচুর কষা দম?
প্রথমে গাঠিকচু ভাল করে ধুয়ে প্রেশার কুকারে সেদ্ধ করে নিন। ৩-৪টি সিটি দিলেই যথেষ্ট। কচু ঠান্ডা হলে খোসা ছাড়িয়ে ডুমো ডুমো করে কেটে রাখুন।
এ বার একটি বড় প্যানে সর্ষের তেল গরম করে তাতে হিং, গোটা জিরে এবং জোয়ান দিয়ে ফোড়ন দিন। ফোড়নের গন্ধ বেরোতে শুরু করলে সেদ্ধ করে রাখা কচুর টুকরোগুলি দিয়ে ভাল করে ভেজে নিন। কচুর গায়ে হালকা সোনালি রং ধরলে পরের ধাপে যান।
এর পর হলুদগুঁড়ো, ধনেগুঁড়ো, জিরেগুঁড়ো, শুকনোলঙ্কা গুঁড়ো, গরমমশলাগুঁড়ো এবং আমচুর দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। স্বাদমতো নুন দিয়ে মশলার সঙ্গে কচু ভাল করে কষাতে থাকুন।
কচু যেহেতু আগে থেকেই সেদ্ধ করা, তাই মশলা কষে গেলেই রান্না প্রায় তৈরি। শেষে লেবুর রস দিয়ে ভাল করে নাড়ুন। উপর থেকে চিরে রাখা কাঁচালঙ্কা এবং কুচোনো ধনেপাতা ছড়িয়ে দিয়ে গ্যাস বন্ধ করে দিন।
Recipe: চিনি-গুড় ছাড়াই স্বাস্থ্যকর গ্রিন মুগ লাড্ডু, মিষ্টির স্বাদে থাকবে না কোনও খামতি
তৈরি হয়ে গেল ঝাল-মশলাদার, কষা কষা গাঠিকচুর দম। গরম ভাতের সঙ্গে মেখে খেলে যেমন জমবে, তেমনই পরোটার সঙ্গেও পরিবেশন করা যায়।
Sumi has been waiting lifestyle, vastu Tips since 2026.