সকলেই জানেন পৃথিবীর ইতিহাসে সপ্তম আশ্চর্যের মধ্যে একটি হল মিশরের পিরামিড। পিরামিড দেখতে পাওয়া যায় মিশরে। কিন্তু এই পিরামিড নিয়ে অনেকরকম তথ্য রয়েছে বিশেষজ্ঞ মহলে। কিন্তু তার মধ্যে কোনটি সঠিক তা বুঝে উঠতে পারা যায় না৷ কারণ মিশরে প্রাচীন কালে তৈরি করা পিরামিডের সময় তথ্য সংগ্রহ করার বা ঘটনাকে প্রমাণস্বরূপ সংরক্ষণ করার কোন পদ্ধতি ছিল না। এই কারণে পিরামিড কারা তৈরি করল, কীভাবে তৈরি করল কিংবা এত বড় বড় পাথরের মাধ্যমে তারা কীভাবে এমন উচ্চতাবিশিষ্ট পিরামিড বানাতে পারল তা নিয়ে প্রচুর তর্কবিতর্ক রয়েছে।

তবে এবার শোনা যাচ্ছে, মিশরের বাইরেও রয়েছে পিরামিড। পিরামিড সদৃশ কাঠামোর হদিশ মিলেছে আন্টার্কটিকায়। আন্টার্কটিকা বরফের দেশ। এখানেই নাকি রয়েছে বরফে ঢাকা পিরামিড যা মানুষের সৃষ্টি। আর এই পিরামিডের সঙ্গে মিশরের পিরামিডের নাকি মিল রয়েছে। এমনটাই মনে করছেন ‘কন্সপিরেসি থিরোরিস্ট’। তাদের মতে, আন্টার্কটিকায় কোনো জনবসতি না থাকা সত্ত্বেও সেখানে রয়েছে বরফে ঢাকা পিরামিড।

উপগ্রহচিত্রে দেখা গিয়েছে, আন্টার্কটিকার এলসওয়ার্থ পর্বতমালার দক্ষিণ অংশে বরফ থেকে মাথা তুলেছে পিরামিড আকৃতির একটি কাঠামো। যদিও সেটি আসলেই পিরামিড কিনা তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। কিন্তু অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন এমন আবহাওয়া যে স্থানে সেখানে পিরামিড কীভাবে এলো। যদিও বলা হয়েছে, এলসওয়ার্থ পর্বতমালায় বেশ কয়েকটি পর্বতচূড়া রয়েছে, যেগুলি ত্রিকোণাকৃতি হলেও তাদের ভিত্তি বর্গাকার এবং প্রতিটি দিকে দু’কিলোমিটার অবধি বিস্তৃত।

অনেকেই বলছেন এটি মিশরের পিরামিডের মতন। তবে ‘কন্সপিরেসি থিওরিস্ট’রা বলছেন সেটি পিরামিড। সেগুলি মিশর থেকে কোনোভাবে আন্টার্টিকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, পিরামিডের মতন কাঠামো তৈরি হওয়ার কারণ ইলুমিনাটি। কেউ কেউ বলছেন, মানুষ ওখানে পিরামিড তৈরি করেছে। কিন্তু যে যাই বলুক না কেনো সেটি আসলে বরফে ঢাকা একটি পর্বত।

বরফে ঢাকা পর্বতের দেশে এমন কাঠামোর পর্বত দেখতে পাওয়া যায়। আর এই পর্বতগুলি ‘পিরামিডাল পিকড মাউন্টেন’ নামে পরিচিত। পটসডামের ‘জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিয়োসায়েন্স’-এর ভূতত্ত্ববিদ মিচ ডারসি একটি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, আন্টার্কটিকায় এলসওয়ার্থ পর্বতমালায় এমন অনেক চূড়া রয়েছে যেগুলি দেখতে পিরামিডের মতন। তিনি আরও জানিয়েছেন, এগুলি পিরামিডের মতন দেখতে হলেও মানুষের তৈরি নয়।
আরও পড়ুন,
*কালীঘাট মন্দিরের চূড়ায় স্বর্ণদণ্ড, কত সোনা আছে?
*সুন্দরী স্ত্রীর টোপ দিয়ে কামানের মুখে! ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা রুশ ফেরত ভারতীয় যুবকদের

Hello friends, Myself Biplab. I have been writing horoscopes since 2019. Since 2022, I have also been writing about entertainment, lifestyle, and trending news.